
ফাইল ছবি
প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূস ফোন করে নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন। শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুর ১ টায় তিনি ফোন করেন। এসময় নুরুল হক নুর প্রধান উপদেষ্টাকে গতকালের ঘটনার বিস্তারিত জানান। প্রধান উপদেষ্টা আশ্বস্ত করেছেন ওই ঘটনায় তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন।
এর আগে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) মধ্যরাতে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম নুরুল নুরকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল আসেন।
রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় গণঅধিকার পরিষদের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। আহতরা হলেন—গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ (৩২), সদস্য হাসান তারেক (২৮), নারায়ণগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব মেহবুবা ইসলাম (৩০) এবং পুলিশ ইন্সপেক্টর আনিসুর রহমান (৪২)।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক সাংবাদিকদের জানান, সংঘর্ষে আহত চার নেতাকর্মী ও এক পুলিশ কর্মকর্তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন<<>> অদৃশ্য অরাজকতার রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে একই জায়গায় জাতীয় পার্টি ও গণপরিষদ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ ও পালটাপালটি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এর পর শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গণঅধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করে। এতে নুরুল হক নুরসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় পরে রক্তাক্ত অবস্থায় নুরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান নেতাকর্মীরা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য ছুটে যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।
গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সড়কে আগুন জ্বালিয়ে দেন। পুলিশ ও সেনাসদস্যরা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন।
আপন দেশ/এবি
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।