ছবি: সংগৃহীত
গণবিক্ষোভ দমনে প্রাণঘাতী সহিংসতার প্রেক্ষাপটে ইরানের সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-কে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা দাবি জানিয়েছিল ইতালি। তার তিনদিনের মাথায় বাহিনীটিকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইউরোপের ২৭টি দেশের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইইউ’র পররাষ্ট্র বিভাগের প্রধান কাজা কালাস।
ইরানের সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের নির্বিচারে হত্যা ও তাদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালানোর ঘটনায় তেহরানের প্রতি শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে এ পদক্ষেপ নিচ্ছে ইইউ।
বৃহস্পতিবার এ ইস্যুতে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইইউ’র সদস্যরাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক ছিল। সে বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে আইআরজিসিকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে আখ্যায়িত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ইইউ’র পররাষ্ট্র বিভাগের প্রধান কাজা কালাস বলেন, কোনো প্রকার দমন-পীড়নকে ছাড় দেয়া ইইউ’র নীতিবিরুদ্ধ। যে সরকার নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে নিজেদের হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে, সে সরকার আসলে নিজের অজান্তে নিজের কবর খোঁড়ে।
আরও পড়ুন<<>>কলম্বিয়ায় বিমান দুর্ঘটনায় এমপিসহ নিহত ১৫
গত সপ্তাহে ফ্রান্স এবং ইতালি এ সংক্রান্ত প্রস্তাবে সমর্থন দিয়েছে বলে জানা গেছে।
নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ভ্যান উইল ইইউ’র বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এ প্রসঙ্গে এএফপিকে তিনি বলেন, সম্প্রতি ইরানে আমরা যে রক্তপাত আমরা দেখলাম, তার প্রতিবাদ হিসেবে আমরা এ পদক্ষেপ নিয়েছি। আন্দোলন দমনের নামে যে নিষ্ঠুরতা তেহরান দেখিয়েছে, তা সহ্যের অতীত।
ইরানের চিরশত্রু ইসরায়েল এ পদক্ষেপের জন্য ইইউ-কে স্বাগত জানিয়েছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সা’র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, ইউরোপের এ পদক্ষেপ ঐতিহাসিক।
ইসরায়েলের সরকারের অপর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, ইইউ’র এ নিষেধাজ্ঞার ফরে আইআরজিসি সদস্যদের বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো সহজ হবে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































