ছবি: আপন দেশ
সময় অপেক্ষা জানে না
মরতেই হবে
লড়াইটা কর্,
কাফন দাফন হবার আগে
বুক চিতিয়ে ধর্।
হারতে হলেও
বিনা যুদ্ধে কেন্?
পাহাড় সমান বুক উঠোনে
সাজতে হবে শ্যেন।
লুকিয়ে থেকে
চৌর্যবৃত্তি চলে,
পরিবর্তন আনতে হলে
নামবি যমের বলে।
বিষন্ন তুই -
নিজকে মেরে ফেলা,
সময় থাকতে সাধন করবি
আফসোস পরের বেলা।
বলছি তোকে
সংগ্রাম মাঠে নাম,
এখনইতো যাচ্ছে সময়
দিতে মায়ের দাম।
স্বাধীনতার নতুন আনন্দে মাতাল
আইয়া পড়ুন
ইট্টু স্বাধীনতা মুডো ভর্তি করি
গঞ্জিকা খাইয়া পঞ্জিকার দেওয়াল বদলানোর।
ড্যান্ডি, ইয়াবা, গাম চাইট্টা চুইট্টা
নিজের মারে তুইল্যা দেই কামুক শিয়ালের খোয়ারে।
ফুরফুর কইরা ইজ্জতের উড়োজাহাজ উইড়া যাইবো
বাবলা অথবা কোমকইয়ের বগল তলে।
আহ্!
কত্তো আরামের ওম,
ঘাম চাইট্যা নেপকিনের পট্টি বেঁধে
স্লোগানে স্লোগানে ধন্য করি গুঁইসাপের থুতু,
আর রাষ্ট্রযন্ত্রের শাউয়া ছিঁইড়া ঠোঁড ভিজাই
ওলভারিণের বাসি স্রাবের তেনার ঘষাঘষিতে।
আরে
সমইস্যা নাই,
গরীবের কোকেন ক্যাপ্টাগন এহন
পাড়ার পানের দোকানে পাওয়া যায়।
রমনা পার্কের বেঞ্চিতে বইসা ঝামেলা বাড়াইতে
অইতো না,
শাহবাগে যাওয়ার দরকার নাই
ভয় নাইকা লাডির মোগড় খাওয়ার।
আইয়া পড়ুন
পলিথিনে পেট্রোলের ঝাঁঝ লইয়া
ভুংভাং কইরা হুন্ডায় চাপি,
বাপের ভিডায় চণ্ডাল তুইল্যা
দাদারে অস্বীকার করার আন্দোলন করি,
সার্টিফিকেডের জাউড়ামির পতাকা উড়াই।
এইহানেও থামা যাইব না-
আরও আগাইয়া যাইতে অইবো,
বড় বড় ভার্সিটিগুলা উডাইয়া লইয়া যাই
পার্বত্য এলাকায়
মাদক সেবনের নিরাপদ আশ্রমে।
আমি তৈরি আছি,
আমহেরা আইতাছুন তো?
ঢাকা এক্সপ্রেস/এসএইচ
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































