ছবি: সংগৃহীত
কাজের ব্যস্ততায় অনেকেরই প্রতিদিন একই সময়ে দুপুরের খাবার খাওয়া হয় না। কোনো দিন কাজ কম থাকলে তাড়াতাড়ি খাওয়া হয়, আবার কোনো দিন কাজের চাপে বিকেল গড়িয়ে যায় মধ্যাহ্নভোজ করতে। তবে দীর্ঘদিন এমন অনিয়ম চলতে থাকলে শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করছেন পুষ্টিবিদরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের প্রতিটি খাবারের মধ্যে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধান থাকা গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে সকালের নাস্তা ও মধ্যাহ্নভোজের মধ্যে অন্তত তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টার বিরতি রাখা ভালো। অর্থাৎ কেউ যদি সকাল ৮টায় নাস্তা করেন, তাহলে দুপুর ১২টার আগে খাবার না খেলেও চলে।
তবে এ নিয়ম সবার ক্ষেত্রে একভাবে প্রযোজ্য নয়। পুষ্টিবিদদের ভাষ্য, শরীরের ক্ষুধার সংকেতকে উপেক্ষা করা উচিত নয়। যদি সকাল ১১টার দিকেই ক্ষুধা লাগে, তাহলে তখনই কিছু খেয়ে নেয়া ভালো। অযথা দীর্ঘসময় পেট খালি রাখলে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষ করে দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে আলসারের ঝুঁকিও তৈরি হয়। তাই ব্যস্ততার কারণে ঠিকমতো বসে খাবার খাওয়ার সুযোগ না থাকলেও অন্তত হালকা কিছু খেয়ে নেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
স্বাস্থ্যকর খাবার, নির্দিষ্ট সময় মেনে খাওয়া এবং দীর্ঘসময় খালি পেটে না থাকা— এ তিনটি অভ্যাস সুস্থ থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পুষ্টিবিদরা।
আপন দেশ/এসএস




































