Apan Desh | আপন দেশ

ধানমন্ডির জোড়া হত্যা মামলায় গৃহকর্মীর মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ 

প্রকাশিত: ১৭:৫৭, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ধানমন্ডির জোড়া হত্যা মামলায় গৃহকর্মীর মৃত্যুদণ্ড

ছবি: আপন দেশ

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাত বছর আগে আফরোজা বেগম ও তার গৃহকর্মী দিতি হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ মামলায় গৃহকর্মী সুরভী আক্তার নাহিদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আফরোজার বাসার কর্মী বাচ্চু মিয়াকে খালাস দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত সুরভীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাওহীদা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের প্রসিকিউটর মাহফুজ হাসান। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি রায়ের দিন ধার্য থাকলেও প্রস্তুত না হওয়ায় তা পিছিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।

২০১৯ সালের ১ নভেম্বর রাতে ধানমন্ডির ২৮ নম্বর (নতুন ১৫) সড়কের ‘লোবেলিয়া হাউজ’ ভবনের পঞ্চম তলা থেকে টিমটেক্স গ্রুপের এমডি ও ক্রিয়েটিভ গ্রুপের ডিএমডি কাজী মনির উদ্দিন তারিমের শাশুড়ি আফরোজা বেগম (৬৫) এবং তার গৃহকর্মী দিতির (১৮) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুজনকেই গলা কেটে হত্যা করা হয়েছিল।

আফরোজা বেগম যে ফ্ল্যাটে থাকতেন তার উল্টো দিকের ফ্ল্যাট ও ওপরের ষষ্ঠ তলার ফ্ল্যাট মিলিয়ে ডুপ্লেক্স বাসায় স্বামী-সন্তানসহ বসবাস করতেন তার মেয়ে দিলরুবা সুলতানা রুবা। তিনিই ৩ নভেম্বর ধানমন্ডি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের পর মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই। ঘটনার প্রায় ২৭ মাস পর, ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তদন্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

আরও পড়ুন <<>> গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট

মামলার এজাহারে দিলরুবা সুলতানা রুবা উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে তিনি কাজের মেয়েকে তার মায়ের ফ্ল্যাটে পাঠান। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাকে ফোন করলেও সাড়া না পেয়ে নিজের বাসার কর্মী রিয়াজকে পাঠান।

রিয়াজ গিয়ে কলিং বেল চাপলেও কোনো সাড়া পাননি। পরে দরজা ধাক্কা দিলে সেটি খোলা দেখতে পান। ভেতরে ঢুকে ডাইনিং রুমের মেঝেতে আফরোজা বেগমকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পাশের গেস্টরুমে পাওয়া যায় গৃহকর্মী দিতির মরদেহ। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

আপন দেশ/এসএস

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement