ছবি : সংগৃহীত
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।
কুয়েতের সেনাবাহিনী বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছে, ইরানের এই হামলাগুলোকে ‘শত্রুতামূলক’ হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং সেগুলো মোকাবিলায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে। এর একদিন আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া শত্রুতা ‘খুব বেশি দিন’ স্থায়ী হবে না।
এদিকে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটিতে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও কমান্ডারের আবাসস্থল লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দাবি করেছে।
এর আগে ইরানি বার্তাসংস্থা আইআরআইবি দাবি করে, কুয়েতে থাকা একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পর সেখানে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে বলেও জানায় তারা। তবে কুয়েতে হামলার বিষয়ে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
আরও পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় নিহত ১
সম্প্রতি ইরানের লারাক দ্বীপে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এরপরই উপসাগরীয় অঞ্চলে পাল্টা হামলা শুরু করে তেহরান। এর অংশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, জর্ডান ও সৌদি আরবেও হামলা হয়েছে।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানে অভিযান শুরুর পর থেকে কুয়েতও ইরানের হামলার অন্যতম লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। দেশটিতে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতির কারণেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে বলে দাবি তেহরানের।
ইরান বলেছে, তাদের লক্ষ্য কুয়েতের সাধারণ মানুষ নয়, বরং দেশটিতে থাকা মার্কিন সামরিক বাহিনী। একই সঙ্গে কুয়েত থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছে তেহরান।
আপন দেশ/এমটিআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































