Apan Desh | আপন দেশ

ইসরায়েলকে রক্ষায় ইরানের বিরুদ্ধে লড়ছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ০৯:০৮, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১০:০৯, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইসরায়েলকে রক্ষায় ইরানের বিরুদ্ধে লড়ছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েল, মধ্যপ্রাচ্য এবং সামগ্রিকভাবে পশ্চিমা বিশ্বের নিরাপত্তা বলয় অক্ষুণ্ন রাখতেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় ওয়াশিংটন আবারও সামরিক হামলা চালাতে প্রস্তুত।

স্থানীয় সময় বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাকে দেয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের লক্ষ্য ছিল প্রথমে ইসরায়েলকে আঘাত করা। পরবর্তীতে ইউরোপ ও আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোকে হুমকির মুখে ফেলা। 

হরমুজ প্রণালীতে নৌপথের সার্বভৌমত্ব বর্তমানে মার্কিন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সামুদ্রিক মাইন স্থাপন এবং প্রতিরক্ষা রাডার ব্যবস্থা পুনর্গঠনে তেহরানের নেয়া একাধিক নতুন চেষ্টা মার্কিন হামলায় সফলভাবে নস্যাৎ করে দেয়া হয়েছে।

এর আগে তেহরানের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ায় ইসরায়েলিদের আশ্বস্ত করেন ট্রাম্প। ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যম কানকে তিনি বলেন, ইসরায়েলের চিন্তার কিছু নেই। জানেন কেন? কারণ আমি প্রেসিডেন্ট এবং আমি ইসরায়েলের দেখভাল করব।

আরও পড়ুন<<>>বেলুচিস্তানে কাস্টমস হাউসে হামলা, দুই কর্মকর্তাসহ নিহত ৬

প্রায় এক মাসের বিরতির পর নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার মধ্যেই ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। এর আগে সপ্তাহান্তে ইরানের লারাক দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণব্যবস্থায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।

ইসরায়েলের নিরাপত্তার বিষয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য তার দীর্ঘদিনের অবস্থানেরই প্রতিফলন। তিনি ইসরায়েলের নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনকে শুধু দুই দেশের প্রচলিত জোটের বিষয় হিসেবে নয়, বরং নিজের ব্যক্তিগত অঙ্গীকার হিসেবেই তুলে ধরেছেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা ইরানে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এর পর ইরানের গণমাধ্যম কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস, সিরিক, চাবাহার ও কোনারাকে বিস্ফোরণের খবর জানায়।

পরে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করে, তারা প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এসব দেশের মধ্যে কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, বাহরাইন ও ইরাকও রয়েছে।

আপন দেশ/জেডআই

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়