Apan Desh | আপন দেশ

হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ নবজাতকের করুণ মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১২:২৩, ২৬ আগস্ট ২০২৬

হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ নবজাতকের করুণ মৃত্যু

ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৫ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল পৌনে ৭টার দিকে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস হাসপাতালের (পিআইএমএস) গাইনোকোলজি ওয়ার্ডে আগুন লেগে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

ইসলামাবাদ প্রশাসনের এক বিবৃতির বরাতে সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানায়, মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাসপাতালের ওয়ার্ডের তৃতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। উদ্ধার অভিযানে ছয়টি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও চারটি অ্যাম্বুলেন্স অংশ নেয়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে এনে নবজাতকদের তাৎক্ষণিকভাবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়। তবে ওই ঘটনায় ১৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে।

পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসের মুখপাত্র আনিজা জলিল সংবাদমাধ্যম ডনকে জানান, ওই ওয়ার্ডে ১৬ জন শিশু ছিল।

আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সকাল পৌনে ৭টার দিকে আগুনের সূত্রপাত। একটি শিশুকে তাৎক্ষণিকভাবে একজন চিকিৎসক উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

স্ত্রীরোগ ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা এক নারীর স্বজন জানান, যে ভবনে নার্সারি বিভাগ রাখা হয়েছিল, সেখানে সংস্কার ও মেরামতের কাজ চলছিল-এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।

আরও পড়ুন<<>>গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে বাংলাদেশিসহ ৭৯ অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার

আগুন লাগার পর রোগীদের ভবন খালি করতে বলা হয়। সদ্য সন্তান জন্ম দেয়া নারীদের দ্বিতীয় তলা থেকে সিঁড়ি দিয়ে দ্রুত নিচে নামতে হয়েছে, যোগ করেন তিনি।

১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস ইসলামাবাদের সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল। এটি রাজধানীর সবচেয়ে পুরোনো দুটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের একটি। হাসপাতালটি কয়েকটি আলাদা হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে গঠিত।

উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঘটনাস্থলে এখন শীতলীকরণ কার্যক্রম চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালের এমসিএইচ ওয়ার্ডের তৃতীয় তলায় আগুনের ঘটনায় ১৪ শিশু সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। জেলা প্রশাসন জানায়, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। উদ্ধার অভিযানে ছয়টি ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি ও চারটি অ্যাম্বুলেন্স অংশ নেয়।

ঘটনাটি তদন্তে অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনারের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, আগুন লাগার কারণ এবং কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখবে ওই কমিটি।

আপন দেশ/জেডআই

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়