ফাইল ছবি, আপন দেশ
চলতি বছরের ৯ মাসে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের লোকসানের অঙ্ক বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা। সবশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে এ তথ্য জানা গেছে।
দেশের বড় শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) রোববার (০১ নভেম্বর) এমন তথ্য দিয়েছে।
ইসলামী ব্যাংক বলেছে, জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনরিক্ষীত হিসাবে কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে শেয়ার প্রতি (ইপিএস) ২০ টাকা ৪১ পয়সা। ২০২৫ সালের এ সময়ে নিট মুনাফা হয় শেয়ার প্রতি ৬২ পয়সা। নিট মুনাফা হয়েছে ৯৯ কোটি ৮১ লাখ টাকা।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংকের মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬০ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ৬৬৮। গত ৯ মাসে ইসলামী ব্যাংক লোকসান দেয় ৩ হাজার ২৮৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চে) ইপিএস হয় ঋণাত্বক ১ টাকা ৭৯ পয়সা, দ্বিতীয় প্রান্তিকেও ঋণাত্বক (এপ্রিল-জুন) হয় ৬ টাকা ৩৯ পয়সা।
আরও পড়ুন<<>>অবলুপ্ত পাইওনিয়ার ব্যাংকের ২৬৮ শতাংশ জমি হস্তান্তর
তথ্য অনুযায়ী, সবশেষ প্রান্তিকে (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) ইপিএস হয় ঋণাত্বক ১২ টাকা ২৪ পয়সা। এ প্রান্তিকে মোট লোকসান গুনে ১ হাজার ৯৭০ কোটি ৬২ লাখ টাকা।
আগের বছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি নিট মুনাফা হয় ২০ পয়সা। লোকসানের কারণে সম্পদ মূল্যও অর্ধেক কমেছে ব্যাংকটির। গত সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) হয় ২৩ টাকা ৬৪ পয়সা। নয় মাস আগে গত ডিসেম্বরে এনএভি হয় ৪৪ টাকা ৫২ পয়সা।
একইসঙ্গে কমেছে শেয়ার প্রতি নিট নগদ প্রবাহ হয় ঋণাত্মক ৩৬ টাকা ১২ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এ প্রবাহ ছিল ১২ টাকা ৪৪ পয়সা।
ব্যাংকের লোকসানের পাল্লা ভারি হওয়ার বিষয়ে ব্যাংকটি ব্যাখ্যায় বলেছে, বিনিয়োগ আয়ে বড় ধরনের ধাক্কায় লোকসান হয়েছে। খেলাপি ঋণের উচ্চ হার, ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মাধ্যমে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ও সবশেষ প্রান্তিকে আমানত প্রবাহ অস্বাভাবিকভাবে কমে গিয়েছে।
অন্যদিক আমানতের বিপরীতে মুনাফা খরচ বেড়ে যাওয়ায় লোকসান বৃদ্ধির সঙ্গে নগদ অর্থের প্রবাহ ঋণাত্বক হয় বলে জানিয়েছে ব্যাংকটি।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































