ছবি: আপন দেশ
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বেওয়ারিশ একটি কুকুরে তাণ্ডবে অতিষ্ঠ স্থানীয় মানুষ। কুকুরটি কমপক্ষে অর্ধশত মানুষকে কামড় দিয়েছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অবশেষে স্থানীয়রা গণপিটুনি দিয়ে কুকুরটি হত্যা করেছে।
শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলার নারান্দী ইউনিয়নের শালংকা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা মৃত কুকুরটিকে অটোরিকশায় করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত উপজেলার হোসেন্দী, নারান্দী, পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন এবং পাকুন্দিয়া পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে কুকুরটির আক্রমণে অন্তত ৫০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ৩০ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং গুরুতর আহত ২০ জনকে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন<<>>জীবিত স্ত্রীকে মৃত দেখিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমে পাটুয়াভাঙ্গা এলাকায় ইমরান নামের এক কৃষককে কামড় দেয় কুকুরটি। পরে এলাকাবাসী তাড়া করলে কুকুরটি বেপরোয়া হয়ে বিভিন্ন এলাকায় ছুটে বেড়িয়ে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই কামড়াতে থাকে।
কুকুরটি চরপাকুন্দিয়া, বীরপাকুন্দিয়া, মধ্যপাকুন্দিয়া, হাপানিয়া, মঙ্গলবাড়ীয়া, সৈয়দগাঁও, শ্রীরামদী, নারান্দী, ঘাগড়া, হোসেন্দী, পাটুয়াভাঙ্গা ও শিমুলিয়া গ্রাম অতিক্রম করে শুক্রবার সকালে শালংকা গ্রামে ঢুকে হাবু মিয়া নামে এক যুবককে কামড় দেয়।
শালংকা গ্রামের বাসিন্দা হারুন মিয়া জানান, হাবু মিয়ার চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এসে কুকুরটিকে ঘিরে ফেলে এবং পরে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলে। এরপর আহত ব্যক্তিদের সঙ্গে কুকুরটিকেও হাসপাতালে নেয়া হয়।
পাকুন্দিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আলী আকবর বলেন, কুকুরটি বেওয়ারিশ ছিল এবং অন্তত ৫০ জনকে কামড় দিয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এটিকে মেরে ফেলা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প ছিল না।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































