ফাইল ছবি
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আংশিক) আসনে দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের পক্ষে নির্বাচনী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী ও ড.নজরুল ইসলাম ফারুকসহ ১৮ নেতাকর্মিকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা বিএনপির আহবায়ক মাহবুব আলমগীর আলো। এর আগে, মঙ্গলবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত অন্য নেতারা হলেন, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত উল্যাহ লিটন, মমিন উল্যাহ চেয়ারম্যান, মির্জা মো.সোলাইমান, মোয়াজ্জেম হোসেন সেলিম, গোলাম হোসেন খন্দকার, উপজেলা বিএনপির সদস্য ওবায়দুল হক চেয়ারম্যান, আবুল কালাম আজাদ, নুরুজ্জামান চৌধুরী, আবু জাহের চৌধুরী জাফর, শাহেদুল করিম মারুফ, মাস্টার দলিলুর রহমান, সেনবাগ পৌর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক কামাল উদ্দিন বাবলু, রেজাউল হক হেলাল, তাজুল ইসলাম রতন, পৌর বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন কমিশনার ও শহীদ উল্যাহ হেলাল।
আরও পড়ুন<<>>প্রতিপক্ষের সঙ্গে ফ্যাসাদ করতে চায় না বিএনপি: মির্জা আব্বাস
সেনবাগ উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত যুগ্ম-আহবায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা দলের বিপক্ষে নই,আমরা প্রার্থীর বিপক্ষে। বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রাথী কাজী মফিজ দুঃসময়ে দলের নেতাকর্মিদের সঙ্গে ছিলেন। আমরা বর্তমানে তার সঙ্গে রয়েছি। দল আগে আমাদের প্রার্থীকে বহিষ্কার করেছে। দল থেকে আমাদের বহিষ্কারের কথা শুনেছি। তবে লিখিত কোন কাগজ পাইনি।
নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহবায়ক মাহবুব আলমগীর আলো আরও বলেন, দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট না করায় কেন্দ্র থেকে এ সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে শুনেছি।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































