Apan Desh | আপন দেশ

তীব্র শীতে কাঁপছে উত্তরের পঞ্চগড়

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০:৩৮, ৪ জানুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১০:৪০, ৪ জানুয়ারি ২০২৬

তীব্র শীতে কাঁপছে উত্তরের পঞ্চগড়

ছবি : আপন দেশ

ঘন কুয়াশা আর হিমালয় থেকে প্রবাহিত হিম শিতল বাতাসে কাঁপছে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়। মৃদু শৈত্যপ্রবাহ প্রবাহিত হওয়ার তাপমাত্রা বাড়লেও কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে এ জেলা। দিনভর ঠান্ডা বাতাসে শীতে একেবারে জুবুথুবু এ অঞ্চলের জনসাধারণ। বেশি দুর্ভোগে পড়েছন নিম্ন আয়ের মানুষ।

রোববার (০৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়স। শনিবার (০৩ জানুয়ারি) রেকর্ড হয়েছিল ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগে শুক্রবার (০২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পহেলা জানুয়ারি ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল। তাপমাত্রার রেকর্ডের তথ্যটি জানিয়েছে জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার কার্যালয়।

জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ভোর থেকেই কুয়াশার চাদরে ঢাকা প্রকৃতি। বইছে হিমেল বাতাস। শীতে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। জীবিকার তাগিদে শীত উপেক্ষা করেই কাজে যেতে দেখা গেছে সকালেই। 

আরও পড়ুন<<>>পঞ্চগড়ে দেখা নেই সূর্যের, তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রির ঘরে

শীতবস্ত্রের অভাবে হতদরিদ্র মানুষগুলো শীতবস্ত্রের জন্য ছুটছেন প্রশাসনসহ বিভিন্নজনের দ্বারে দ্বারে। কেউ কেউ বাজারের ফুটপাতের কাপড়ের দোকানগুলোতে ভিড় করছেন। নিজেদের সার্থ অনুযায়ী কমমূল্যের কাপড় কিনতে দেখা গেছে। বাড়ির উঠোনে খড়কুটোয় আগুন ধরিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা যায় অনেক গরীব অসহায় মানুষদের। 

সকালে কথা হয় চা শ্রমিক আরশেদ আলী ও নাসিরের সাথে। তারা জানান, কয়েকদিন ঘন কুয়াশা ও বাতাস বয়ে গেল। দুইদিন ধরে কুয়াশার মেঘ কাটলেও কনকনে শীতে হাড়কাঁপছে। সকালে বাগানে পাতা তুলতে অনেক কষ্ট হয়। বাগানের পাতা বরফের মতো মনে হয়। 

এদিকে শীতে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিভিন্ন শীতজনিত রোগ। প্রতিদিন সর্দি, জ্বর, কাঁশি, ডায়েরিয়া, নিউমোনিয়াসহ নানান রোগ নিয়ে হাসপাতালে বহির্বিভাগে ভিড় করছেন রোগীরা। এদের বেশির ভাগ শিশু ও বয়োবৃদ্ধ। চিকিৎসকরা চিকিৎসার পাশাপাশি শীতে সুরক্ষিত থাকতে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

জেলার প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ জানান, রোববার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়স। শনিবার রেকর্ড হয়েছিল ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগে শুক্রবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পহেলা জানুয়ারি ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল। 

আপন দেশ/জেডআই

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়