ছবি : সংগৃহীত
প্রতারণার অভিযোগে ১৫ জন বাংলাদেশিসহ চার ভারতীয় নাগরিককে গ্রেফতার করেছে নেপালের পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, শুক্রবার (৩০ মে) রাজধানী কাঠমাণ্ডুর ১৬ নং ওয়ার্ডের পাকনাজোলে অবস্থিত হোটেল এস থেকে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃত বাংলাদেশিরা হলেন মজিদুল ইসলাম রিদয় (২৫), শফিউল ইসলাম (২২), আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের (২৬), আপন চন্দা সাহা (২২), আবুল হাসনাইন (২৬), আল শাহরিয়ার (২৪), ফয়সাল (৩০), আজাদ হোসেন (৩৫), মো. আজমাইন (১৯), তামিম হাসান সৌরভ (২০), জাকারিয়া জান্নাত (২০), শাকিল আনোয়ার (২৪), বিল্লাল রাফাত (২১), অমিত হাসান সৈকত (২৫) এবং ইসমাম হাসান স্বাধীন (৩০)।
জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত বাংলাদেশি নাগরিকদের বেশির ভাগই আগে কম্বোডিয়ায় কাজ করতেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশকে বলেছেন, কম্বোডিয়ায় পরিচয় হওয়া চীনা অপারেটররা তাদের নেপালে নিয়ে এসেছেন।
নেপাল পুলিশের কাঠমাণ্ডু ভ্যালি ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিস জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে গ্রেফতার ব্যক্তিরা একজন চীনা নাগরিকের চালানো একটি স্ক্যাম সেন্টারে কর্মরত ছিলেন।
আরও পড়ুন<<>>রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে হেফাজতের বিক্ষোভ
ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিসের মুখপাত্র ও পুলিশ সুপার রামেশ্বর কার্কি বলেছেন, ওই চীনা নাগরিক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। আমরা তাকে খুঁজছি। স্ক্যাম সেন্টার পরিচালনার জন্য পলাতক চীনা নাগরিক থামেল এলাকার একটি পুরো হোটেল ভাড়া নিয়েছিলেন। হোটেলের মালিক প্রতি মাসে সাত লাখ নেপালি রুপি ভাড়ার বিনিময়ে হোটেলটি লিজ দিয়েছিলেন।
কার্কি আরও জানান, ফেসবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নারীদের আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে এ চক্রটি ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করত। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় নেপালিদের নয়, বরং তাদের প্রধান টার্গেট ছিলো বাংলাদেশি ও ভারতীয় নাগরিক।
পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার গ্রেফতার ১৯ জনকেই অভিবাসন আইনের অধীনে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের ডিপোর্ট, অর্থাৎ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































