Apan Desh | আপন দেশ

রেমিটেন্স

‘প্রবাসী কর্মীদের ভোগান্তি নিরসনে মাঠে নেমেছে সরকার’

‘প্রবাসী কর্মীদের ভোগান্তি নিরসনে মাঠে নেমেছে সরকার’

শেষ মুহূর্তে মালয়েশিয়া যেতে না পারা হাজার হাজার কর্মীর চরম ভোগান্তি ও হাহাকার নিরসনে মাঠে নেমেছে সরকার। এ পরিস্থিতির নেপথ্যে দায়ীদের চিহ্নিত করতে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রবাসী কর্মীদের সঙ্গে প্রতারণা করা রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থার চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। মঙ্গলবার (০২ জুন) প্রবাসী কল্যাণ ভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কঠোর বার্তা দেন তিনি। আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মীদের শেষ সময়ের দুর্ভোগ, বিমানের টিকিটের কৃত্রিম সংকট এবং মালয়েশিয়া যেতে না পারার পেছনে থাকা কারসাজি উদ্ঘাটন করা হবে। এজন্য একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

০৩:২৮ পিএম, ২ জুন ২০২৬ মঙ্গলবার

মে মাসের ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার

মে মাসের ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার

চলতি মে মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৩০ হাজার ৪৭৮ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা হিসাবে)। বুধবার (২০ মে) বিকেলে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (১৯ মে) প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৯০২ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। গত বছরের মে মাসের প্রথম ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭৯ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

০৮:৪৭ পিএম, ২০ মে ২০২৬ বুধবার

রিজার্ভ এখন ৩৫.০৩ বিলিয়ন ডলার

রিজার্ভ এখন ৩৫.০৩ বিলিয়ন ডলার

প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক শক্তিশালী প্রবাহে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও উল্লেখযোগ্য অবস্থানে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল)  আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম–৬ হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০,৩৬৬ দশমিক ২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ৩০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রমের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। একই সময়ে দেশের মোট (গ্রস) রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫,০৩৮ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৈদেশিক মুদ্রার এ উন্নত অবস্থান মূলত রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলার সরবরাহ স্থিতিশীল থাকার ফল। চলতি এপ্রিল মাসেও রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসী আয় এসেছে ১ হাজার ৭৮৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে ১৫ এপ্রিল একদিনেই এসেছে ১৮১ মিলিয়ন ডলার।  

০৮:১৪ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার

মার্চে এলো পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স

মার্চে এলো পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স

দেশের অর্থনীতিতে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা রেকর্ড পরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন, যা স্বাধীনতার পর থেকে একক কোনো মাসে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানা গেছে, মার্চ মাসে দেশে এসেছে ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বুধবার (০১ এপ্রিল) প্রকাশিত এ তথ্যে দেখা যায়, আগের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। এর আগে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসার রেকর্ড ছিল ২০২৫ সালের মার্চ মাসে, যখন প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ৩ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে সে রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে চলতি বছরের মার্চ। এছাড়া ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ৩ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা এখন তৃতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে।

০৭:৩২ পিএম, ১ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার

বাড়ল দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

বাড়ল দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও বেড়েছে। সর্বশেষ হিসাবে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৩২৮ দশমিক ০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩৫ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছেন আরিফ হোসেন খান, যিনি বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশের গ্রস বা মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী দেশের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৫৮০ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলার বা ৩০ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

০৮:০৩ পিএম, ৩ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার

প্রবাসী আয়ে নতুন মাইলফলকে বাংলাদেশ

প্রবাসী আয়ে নতুন মাইলফলকে বাংলাদেশ

সদ্য বিদায়ী ২০২৫ সালে প্রবাসী আয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একক বছরে সর্বোচ্চ আহরণের রেকর্ড। বৈশ্বিক নানা সংকটের মধ্যেও প্রবাসীদের পাঠানো এ অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করতে বড় ভূমিকা রাখছে। এর আগের বছর ২০২৪ সালে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৬ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার। এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্সের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৮ শতাংশ। শুধু বছরজুড়েই নয়, গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরেও রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল বেশ শক্তিশালী। ওই মাসে প্রবাসীরা দেশে ৩২৩ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। একক মাস হিসেবে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল।

০৮:২৫ পিএম, ১ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার

‘রেমিট্যান্স না আসলে সরকারের টিকে থাকা মুশকিল ছিল’

‘রেমিট্যান্স না আসলে সরকারের টিকে থাকা মুশকিল ছিল’

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ছাড়া অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারের টিকে থাকা মুশকিল ছিল। এ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেলে ইতালি সফরের তৃতীয় দিনে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ড. ইউনূস বলেন, স্বৈরাচার সরকার দেশের অর্থনীতিকে একেবারে ধ্বংস করে পালিয়েছিল। সে ভেঙে পড়া অর্থনীতি এখন প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের কারণে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে। প্রবাসে সরকার প্রধানকে কাছে পেয়ে প্রবাসী বাঙালিরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন, তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। প্রবাসীরা ইতালিতে তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য ড. ইউনূসের প্রতি আহবান জানান।

০৯:১৩ পিএম, ১৪ অক্টোবর ২০২৫ মঙ্গলবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement