মুশফিকুর রহিম।
মধ্যপ্রাচ্যে হঠাৎ শুরু হওয়া যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অভিজ্ঞ সদস্য মুশফিকুর রহিম। পবিত্র উমরাহ পালন শেষে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তার দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু আকাশপথ অনিরাপদ হয়ে পড়ায় বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের জেদ্দা বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন।
কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা উত্তেজনার পর আজ সকালে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বাহিনী। এর পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এ পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে নিয়মিত বিমান চলাচল।
উমরাহ পালন শেষে মুশফিকুর রহিম এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে জেদ্দা থেকে দুবাই হয়ে ঢাকা ফিরতে চেয়েছিলেন। আজ সকালে তিনি ইকে ০৮০৬ ফ্লাইটে জেদ্দা থেকে রওনাও হন। কিন্তু মাঝ আকাশে থাকা অবস্থায় যুদ্ধ পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে বিমানটিকে আবার জেদ্দায় ফিরিয়ে নেয়া হয়।
মুশফিকুর রহিম বর্তমানে জেদ্দা বিমানবন্দরে অবস্থান করছেন। তার সঙ্গে আরও হাজার হাজার যাত্রী সেখানে আটকা পড়েছেন। বিমানবন্দর এলাকায় এক ধরণের অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। যেহেতু অনেক দেশের আকাশপথ বন্ধ, তাই বিকল্প পথে ফেরার সুযোগও আপাতত সীমিত।
আটকে পড়ার পর মুশফিকুর রহিম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্ত ও দেশবাসীর উদ্দেশ্যে একটি বার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, আসসালামু আলাইকুম সবাইকে, কয়েকদিন আগে আমি উমরাহ হজ পালন করার জন্য মক্কায় এসেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, আমি আমার হজ সম্পন্ন করেছি ও আজ এমিরেটস এয়ারলাইন্সে দুবাই হয়ে বাংলাদেশে ফিরছিলাম। আজ সকালে আমরা জেদ্দা থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে ইকে ০৮০৬ ফ্লাইটে রওনা দিই। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সব ফ্লাইট আবার জেদ্দায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এখন আমি জেদ্দা বিমানবন্দরে হাজার হাজার যাত্রীর সঙ্গে অবস্থান করছি।'
এমন পরিস্থিতিতে কবে দেশে ফিরতে পারবেন তা নিয়ে উদ্বিগ্ন এ ক্রিকেটার, সর্বশক্তিমান আল্লাহই ভালো জানেন, কবে ও কীভাবে আমরা ঢাকায় ফিরব। সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।
আপন দেশ/এমবি
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































