বাংলাদেশে ইন্টারনেটের গতি নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে তীব্র অসন্তোষ রয়েছে। বৈশ্বিক মান রক্ষায় এখনও অনেক পিছিয়ে আমরা। গত এক বছরে দেশের মোবাইল ইন্টারনেটে বৈশ্বিক অবস্থান ও গতি কিছুটা বাড়লেও ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে উন্নতি নেই।
ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট গতিও গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু এর বৈশ্বিক অবস্থান চার ধাপ নিচে নেমেছে। সর্বশেষ এক মাসেই নেমেছে এক ধাপ।
মোবাইল ইন্টারনেটে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে ১৪৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২১তম। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অবস্থান হয় ১০১তম। তবে বৈশ্বিক পর্যায়ে যেখানে মোবাইল ইন্টারনেটের গড় গতি ডাউনলোডের ক্ষেত্রে ৪৯ দশমিক ২৫ এমবিপিএস, সেখানে বাংলাদেশে ২৩ দশমিক ৮৭ এমবিপিএস। এক্ষেত্রে বৈশ্বিক গড় গতি এক বছরে ১২ দশমিক ৪৯ এমবিপিএস বেড়েছে। আর বাংলাদেশে বেড়েছে নয় দশমিক ৫৩ এমবিপিএস। আপলোড গতির ক্ষেত্রেও তেমন উন্নতি নেই।
মোবাইল ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের নিচের অবস্থানে রয়েছে- আফগানিস্তান (১৪৩), নেপাল (১২৮), পাকিস্তান (১২৬) এবং শ্রীলঙ্কা (১১৭)। আর ওপরের অবস্থানে রয়েছে ভারত (২২)।
দেশে ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতি বৈশ্বিক মানের অনেক নিচে। ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ১৭৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০৪তম। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সেই অবস্থান থেকে চার ধাপ নিচে নেমে ১০৮তম হয়েছে।
আবার বৈশ্বিক পর্যায়ে যেখানে ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গড় ডাউনলোড গতি ৯০ দশমিক ৯৩ এমবিপিএস, সেখানে বাংলাদেশে ৪০ দশমিক ৩৬ এমবিপিএস।
ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের ওপরের অবস্থানে রয়েছে ভারত (৮৫) ও নেপাল (৮৪)। নিচের অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান (১৭৭) পাকিস্তান (১৫১), শ্রীলঙ্কা (১৪০) ও ভুটান (১২৮)।
এই তথ্য বৈশ্বিক পর্যায়ে ইন্টারনেটের গতি পরীক্ষা ও বিশ্লেষণের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ওকলার। চলতি মাসে তাদের সর্বশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। বিশ্বের দেশগুলোর গড় ইন্টারনেট গতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে এই প্রতিষ্ঠান। এক মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে পরবর্তী মাসের মাঝামাঝিতে সূচক প্রকাশ করে তারা।
ইন্টারনেটের এই গতি দেশের ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা কিংবা স্মার্ট বাংলাদেশের অনেক ক্ষেত্রেও বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) বক্তব্য- ওকলার তথ্য সম্পর্কে সন্দেহ রয়েছে। তারা মনে করে, ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে দেশ ক্রমেই ভালো করছে।
ওকলার নগরভিত্তিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের প্রধান দুই নগর ঢাকা ও চট্টগ্রামে মোবাইল ইন্টারনেটে ডাউনলোডের গতি বেড়েছে বলে জানানো হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে ঢাকায় বেড়েছে নয় দশমিক ১৪ এমবিপিএস আর চট্টগ্রামে বেড়েছে ১৫ দশমিক ৩৭ এমবিপিএস। যদিও বিশ্বের ১৪৯টি প্রধান শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ডাউনলোডের গতি ২৬ দশমিক ৯৪ এমবিপিএস গতি নিয়ে ১১৬তম। আর চট্টগ্রামে ২৫ দশমিক ৭৫ এমবিপিএস গতি নিয়ে ১২৯তম। এক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের দিল্লি ৯৯ দশমিক ২৫ এমবিপিএস গতি নিয়ে ৩০তম অবস্থানে রয়েছে।
ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ক্ষেত্রেও ঢাকা ও চট্টগ্রামে ডাউনলোড ইন্টারনেটের গতি কিছুটা বেড়েছে। এক বছরের ব্যবধানে ঢাকায় বেড়েছে পাঁচ দশমিক ৯৪ এমবিপিএস আর চট্টগ্রামে বেড়েছে ছয় দশমিক ৫০ এমবিপিএস। যদিও এক্ষেত্রে বিশ্বের ১৯৪টি প্রধান নগরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ৪৮ দশমিক ৯৩ ডাউনলোড গতি নিয়ে ১১৯তম এবং চট্টগ্রামে ৩৯ দশমিক ৭২ এমবিপিএস গতি নিয়ে ১৩১তম। এক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের দিল্লি ৮৩ দশমিক ৫৮ এমবিপিএস গতি নিয়ে ৮৭তম অবস্থানে রয়েছে।
ওকলার প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মোবাইল ফোন অপারেটরদের ইন্টারনেটের ডাউনলোড গতি কার কতটা সে তথ্যও জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের শেষ প্রান্তিকের পর্যবেক্ষণ অনুসারে সর্বোচ্চ ২৬ দশমিক ৭৪ এমবিপিএস গতি নিয়ে সেরা অবস্থানে রয়েছে বাংলালিংক। এর পরে রয়েছে ২৪ দশমিক ৬২ এমবিপিএস গতি নিয়ে রবি, ২৩ দশমিক ১৮ এমবিপিএস গতি নিয়ে এয়ারটেল, ২১ দশমিক ৭৮ এমবিপিএস গতি নিয়ে গ্রামীণফোন এবং সর্বনিম্ন ছয় দশমিক শূন্য পাঁচ এমবিপিএস গতি নিয়ে টেলিটক।
ওকলার সর্বশেষ প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে মোবাইল ইন্টারনেটে সর্বোচ্চ ৩০৩ দশমিক ২১ এমবিপিএস ডাউনলোড গতি নিয়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরপর ২৪৪ দশমিক ৪৪ থেকে ১২১ দশমিক শূন্য তিন এমবিপিএস গতি নিয়ে শীর্ষ আরও নয়টি দেশের মধ্যে রয়েছে যথাক্রমে কাতার, কুয়েত, চীন, ডেনমার্ক, নরওয়ে, দক্ষিণ কোরিয়া, আইসল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও সৌদি আরব। আর সবচেয়ে কম তিন দশমিক ৫৪ এমবিপিএস ডাউনলোড গতি নিয়ে তালিকার সব শেষে অবস্থান কিউবার। এরপর চার দশমিক ১৬ থেকে ১২ দশমিক ৭৫ এমবিপিএস গতি নিয়ে রয়েছে পূর্ব তিমুর, সুদান, আফগানিস্তান, ইয়েমেন, তাজিকিস্তান, বলিভিয়া, ভেনিজুয়েলা, সিরিয়া ও বেলারুশ।
আরও পড়ুন <> টেলিগ্রামে যুক্ত হলো ভিউ ওয়ানস ফিচার
ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে সর্বোচ্চ ২৭০ দশমিক ৬২ এমবিপিএস ডাউনলোড গতি নিয়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর। এরপর ২৬৬ দশমিক ৬৩ থেকে ২১৬ দশমিক ৩৭ এমবিপিএস গতি নিয়ে শীর্ষ আরও নয়টি দেশের মধ্যে রয়েছে- হংকং, মেনাকো, চিলি, চীন, আইসল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড ও ফ্রান্স। সবচেয়ে কম দুই দশমিক ৫০ এমবিপিএস ডাউনলোড গতি নিয়ে তালিকার সবচেয়ে নিচে অবস্থান কিউবার। এরপর তিন দশমিক ২৫ থেকে সাত দশমিক ৫৬ এমবিপিএস গতি নিয়ে নিচে অবস্থানের আরও নটি দেশ হচ্ছে যথাক্রমে- আফগানিস্তান, সিরিয়া, নাইজার, ইয়েমেন, জাম্বিয়া, তুর্কমেনিস্তান, বুরুন্ডি, পূর্ব তিমুর ও বতসোয়ানা।
ঢাকার অনেক এলাকায় ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডাররা মাসভিত্তিক বিলের বিনিময়ে যে গতির ইন্টারনেট দেয়ার কথা তা দিতে পারে না। কমপক্ষে সাত এমবিপিএস ডাউনলোড গতির কথা বলে পিক আওয়ারে এক এমবিপিএস গতিও তারা দিতে পারে না। বড় শহরগুলোর বাইরে পরিস্থিতি আরও নেতিবাচক। উপকূল ও চরাঞ্চলের অনেক স্থানে ইন্টারনেট তো দূরের কথা, মোবাইল ফোনে কথা বলার ক্ষেত্রেও গ্রাহক ভোগান্তি দূর হয়নি। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিনের বাংলাদেশের নিজস্ব সংবাদদাতারা এ পরিস্থিতির তথ্য জানিয়েছেন। মোবাইল ইন্টারনেটও সব এলাকায় অভিন্ন গতিতে পাওয়া যায় না।
ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবায় বৈশ্বিক সূচকে আমরা কেন নেতিবাচক অবস্থানে রয়েছি- এ প্রশ্নে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের সংগঠন আইএসপিএবি থেকে বলা হচ্ছে, ‘ডলার সংকটের কারণে আমরা আমাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারছি না। অনেক ইকুইপমেন্ট বিদেশ থেকে আনতে হয়। সেগুলো আনার ক্ষেত্রে ডলার সংকট সমস্যা সৃষ্টি করছে।’
সংগঠনটির সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, অন্য সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে পেশিশক্তির দাপট। লাইসেন্স ছাড়াই অনেকে পেশিশক্তি ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশে চার ক্যাটাগরিতে বৈধ আইএসপির সংখ্যা প্রায় তিন হাজার। অবৈধদের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি। তাদের কাছে লাইসেন্সধারীরা অনেকটা অসহায়। লাইসেন্সধারীদের অনেকে তাদের কাছে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। অনেকের সক্ষমতা থাকার পরও তাদের আইএসপি লাইসেন্স আপগ্রেড না করার কারণে সেবার এলাকা বাড়ানো যাচ্ছে না। বিটিআরসি এই অবৈধদের বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যে অভিযান চালায়, কিন্তু তাতে পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে না।
দেশের সব এলাকায় আপনাদের সেবা কি আছে— এই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘কিছু এলাকা, যেখানে ফাইবার অপটিক নেই- সেসব এলাকায় সেবা দেয়া সম্ভব নয়। তবে এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ডিজিটাল সংযোগ প্রকল্প স্থাপন (ইডিসি) প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের সব এলাকায় ফাইবার অপটিকের ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক তৈরির কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি। আবার যেখানে হাওর, খাল-বিলের কারণে ফাইবার অপটিক নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, সেখানে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা চালু করা হচ্ছে।’
মোবাইল ইন্টারনেট বৈশ্বিক পর্যায়ের গড় গতির তুলনায় কেন পিছিয়ে রয়েছে— এই প্রশ্নে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন এমটব মহাসচিব লে. কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার (অব.) বলেন, ‘ওকলার সাম্প্রতিক ইনডেক্স অনুযায়ী বিশ্বে গড় মোবাইল ইন্টারনেট স্পিড ৪৯.২৫ এমবিপিএস, যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রায় ২৪ এমবিপিএসের মতো। গ্রাহকদের দৈনন্দিন ব্যবহার বিবেচনায় এই স্পিড সন্তোষজনক হলেও এখানে আরও উন্নতির অবকাশ রয়েছে। আমরা ক্রমেই ভালো করছি এবং র্যাঙ্কিংয়ে আমরা এবারও চার ধাপ এগিয়েছি। তবে এ ধরনের আন্তর্জাতিক রেটিং নির্ণয়ে ইন্টারনেটের গতি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হলেও এর সঙ্গে সমসাময়িক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গ্রাহকদের ইউজেস প্যাটার্নসহ আরও অনেক বিষয় বিবেচিত হয়।
এ প্রসঙ্গে বলা বাহুল্য, বাংলাদেশে মোবাইল খাতে সার্বিক বিনিয়োগের বিপরীতে রিটার্ন যেমন কম এবং গ্রাহকদের কাছ থেকে অপারেটরদের মাথাপিছু গড় আয়ও (এআরপিইউ) কম। অপরপক্ষে, এই আয় থেকে সরকারকে প্রদেয় নানাবিধ ট্যাক্সের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অন্যান্য দেশের চেয়ে অনেক বেশি। এ ছাড়া, আমাদের টেলিকম অবকাঠামোতে অনেক অংশীজন থাকায় মোবাইল ইকোসিস্টেমে অংশীজনদের ওপর কারিগরি ও আর্থিক নির্ভরতাও অনেক বেশি। ফলে মোবাইল ইন্টারনেট খাতের গুণগতমান উন্নয়নে এই সমস্ত বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি।’
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, দেশে ইন্টারনেটের সেবার মান উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বিটিআরসির কমিশনার প্রকৌশলী শেখ রিয়াজ আহমেদ বলেন, ওকলার তথ্য সম্পর্কে সন্দেহ রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো দেশেরই রেগুলেটরি বডির সমঝোতা বা সম্পর্ক নেই। ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি বুঝতে হলে আমরা ২০০৮ সালের অবস্থার সঙ্গে বর্তমান অবস্থার তুলনা করতে পারি। ২০০৮ সালে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার হতো সাত দশমিক পাঁচ জিবিপিএস (গিগাবাইট পার সেকেন্ড)। আর বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে চার হাজার ২০০ জিবিপিএস। ২০০৮ সালের আমাদের একমাত্র সাবমেরিন কেবল থেকে ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ পেতাম। আর এখন একাধিক সাবমেরিন কেবল ও ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল কেবল (আইটিসি) থেকে ১০ হাজার জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ পাচ্ছি। দেশে আরও তিনটি প্রাইভেট সাব মেরিন কেবল যুক্ত হতে যাচ্ছে। চলতি বছরের শেষ ও আগামী বছরের প্রথম দিকে চালু হতে যাচ্ছে ফাইভজি। এর জন্য ইন্ডাস্ট্রিগুলোকে প্রস্তুত হতে বলা হয়েছে। যে ১৭টি প্রতিষ্ঠান দেশে মোবাইল ফোন সেট তৈরি করে তাদের বলা হয়েছে ফাইভজি এনাবল সেট তৈরির জন্য। এটা চালু হলে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সও (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) চালু হয়ে যাবে। তখন ইন্টারনেটের গতি এমনিতেই অনেক বেড়ে যাবে।
আপন দেশ/এমআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































