ছবি: আপন দেশ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) এক্সিকিউটিভ মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) প্রোগ্রামের ২৫তম ব্যাচের নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সম্মেলনকক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম. এম. শরিফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন এবং মধুমতি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ হাসান খান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক।
অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থী মৌমিতা সাহা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, আমি আমার মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করার জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পেরে অনেক আনন্দিত। এ নতুন পথচলা শুরু করতে পেরে আমি অনেক উচ্ছ্বসিত এবং কিছুটা শঙ্কিত। এখানের সব কিছুই আমার জন্য নতুন। আশা করছি সকলের সাথে আগামী সময়টা খুব সুন্দর এবং ভালোভাবে যাপন করতে পারব।
উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, এ প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য শুধু সার্টিফিকেট অর্জন নয়; বরং শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত জ্ঞান ও বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা। শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ক্যারিয়ার গঠন ও নিজেদের দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করা। সেমিস্টার শেষে শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেয়া হবে, যা তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়তা করবে।
আরও পড়ুন <<>> এইচএসসির ফল শনিবার, যেভাবে জানবেন
প্রধান অতিথি বক্তব্যে উপাচার্য ড. এম. এম. শরিফুল করীম বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মূল ভিত্তি হলো শেখা, তৈরি করা, সংযোগ স্থাপন করা এবং নেতৃত্ব দেয়া। এটি কেবল চাকরির বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করে না, বরং এখান থেকে অর্জিত জ্ঞান, পেশাদারিত্ব, সততা ও নেতৃত্ব গুণাবলি কাজে লাগিয়ে গ্র্যাজুয়েটরা ভবিষ্যতে অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো এমদাদুল হক বলেন, এ শিক্ষাজীবনে আপনারা কেবল ডিগ্রিই অর্জন করবে না বরং নিজেদের জ্ঞান, বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা, নেতৃত্ব দেয়ার দক্ষতা এবং সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা ও পারস্পরিক যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত করার সুযোগ পাবেন। অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ সবসময় উচ্চমানের শিক্ষা ও মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আগামী দেড়-দুই বছরের এ সময়টি শিক্ষার্থীদের জীবনের সবচেয়ে বর্ণিল ও আনন্দদায়ক সময় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































