ছবি : সংগৃহীত
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দ্রুত বন পুনর্গঠনের লক্ষ্যে নেয়া এক সিদ্ধান্ত এখন জাপানের জন্য বড় ধরনের স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত সংকটে পরিণত হয়েছে।
প্রায় ৭০ বছর আগে দেশজুড়ে বিপুল পরিমাণ জমিতে মাত্র দুটি প্রজাতির গাছ লাগানোর সরকারি সিদ্ধান্তের প্রভাব আজও বয়ে বেড়াচ্ছে দেশটি। এর ফলেই বর্তমানে ভয়াবহ পরাগরেণুজনিত অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হচ্ছে দেশটির কোটি কোটি মানুষ।
সম্প্রতি জাপানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ভিডিও ব্যাপক ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, বিশাল সবুজ বনভূমি থেকে ধোঁয়ার মতো কিছু বাতাসে উড়ছে। অনেকেই প্রথমে এটিকে আগুনের ধোঁয়া ভেবেছিলেন। কিন্তু আসলে সেটি ছিল গাছের বিপুল পরিমাণ পরাগরেণু। ভিডিওগুলো মুহূর্তেই দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয় এবং বহু মানুষকে সতর্ক করে দেয় যে অ্যালার্জির মৌসুম আবার শুরু হয়ে গেছে।
প্রতি বছর বসন্ত এলেই জাপানের শহরগুলোতে ভিন্ন এক দৃশ্য দেখা যায়। শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষকে মাস্ক পরে চলাফেরা করতে দেখা যায়। অনেকের চোখ লাল হয়ে থাকে, কেউ হাঁচি দিচ্ছেন, কেউবা নাক দিয়ে পানি পড়া ঠেকাতে ব্যস্ত। এর পেছনে মূল কারণ ‘হে ফিভার’ বা অ্যালার্জিজনিত রাইনাইটিস।
বর্তমানে জাপানের প্রায় ৪৩ শতাংশ মানুষ মাঝারি থেকে গুরুতর মাত্রার এ অ্যালার্জিতে ভুগছেন। তুলনায় যুক্তরাজ্যে এ হার ২৬ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ১২ থেকে ১৮ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু সাময়িক অস্বস্তির বিষয় নয়। দীর্ঘমেয়াদে এই অ্যালার্জি মানুষের ঘুমের সমস্যা, মনোযোগ কমে যাওয়া, কর্মক্ষমতা হ্রাস, হাঁপানি এবং বিভিন্ন খাদ্য অ্যালার্জির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। জাপানে অ্যালার্জির মৌসুমের শীর্ষ সময়ে অসুস্থতার কারণে ছুটি ও কমে যাওয়া ভোক্তা ব্যয়ের ফলে প্রতিদিন প্রায় ১৬০ কোটি ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয় বলে ধারণা করা হয়।
যুদ্ধ-পরবর্তী জাপানের সিদ্ধান্ত : এ সংকটের সূত্রপাত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময় থেকে। যুদ্ধ চলাকালে তেল ও গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিলে জাপান জ্বালানির জন্য ব্যাপকভাবে বনজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। বাড়িঘর ও শিল্পকারখানায় জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহারের কারণে দেশটির প্রাকৃতিক বন ব্যাপকভাবে উজাড় হয়ে যায়।
টোকিও, ওসাকা ও কোবের মতো বড় শহরের আশপাশের পাহাড় প্রায় বৃক্ষশূন্য হয়ে পড়ে। এতে ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকি বাড়তে থাকে।
জাপানের ফুকুওকায় অবস্থিত কিউশু বিশ্ববিদ্যালয়ের বন গবেষক অধ্যাপক নোরিকো সাতো বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের বহু পাহাড় প্রায় অনাবাদি ও বৃক্ষহীন হয়ে গিয়েছিল। এতে বিভিন্ন এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই মাটিক্ষয় রোধে সরকার করের অর্থ ব্যবহার করে বড় পরিসরে বনসৃজন কার্যক্রম শুরু করে।
দ্রুত বন পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে সরকার দুটি দ্রুত-বর্ধনশীল দেশীয় চিরসবুজ গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সেগুলো হলো- জাপানি সিডার ‘সুগি’ এবং জাপানি সাইপ্রেস ‘হিনোকি’।
সরকারের ধারণা ছিল, এ গাছ দ্রুত বড় হবে, ভবিষ্যতে নির্মাণকাজে কাঠের চাহিদাও পূরণ করবে। ফলে দেশজুড়ে ব্যাপক হারে সুগি ও হিনোকি রোপণ শুরু হয়।
বর্তমানে এ দুই ধরনের গাছের বনভূমি প্রায় এক কোটি হেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত, যা জাপানের মোট ভূমির প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ।
কীভাবে শুরু হলো অ্যালার্জির মহামারি : সমস্যা হলো, সুগি ও হিনোকি গাছ বিপুল পরিমাণ হালকা পরাগরেণু উৎপাদন করে। বাতাসের সঙ্গে এই পরাগরেণু সহজেই শহরে ছড়িয়ে পড়ে এবং মানুষের শ্বাসতন্ত্রে প্রবেশ করে অ্যালার্জির সৃষ্টি করে।
আরও বড় সমস্যা হলো, এই গাছগুলো ৩০ বছর বয়স পার হওয়ার পর আরও বেশি পরাগরেণু ছড়াতে শুরু করে। বর্তমানে জাপানের অধিকাংশ সুগি ও হিনোকি বনই সেই বয়স অতিক্রম করেছে। ফলে প্রতি বছর বসন্তে দেশজুড়ে যেন পরাগরেণুর বিস্ফোরণ ঘটে।
নোরিকো সাতো বলেন, পরাগরেণুজনিত অ্যালার্জি এখন জাপানের জাতীয় স্বাস্থ্য সমস্যা। এটি মোকাবিলা করা অত্যন্ত জরুরি।
২০২৩ সালে জাতীয় সংকট ঘোষণা : পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় ২০২৩ সালে জাপান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যালার্জিকে জাতীয় সামাজিক সমস্যা হিসেবে ঘোষণা করে। একই সঙ্গে আগামী ৩০ বছরে পরাগরেণুর মাত্রা ৫০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
প্রথম ধাপে সুগি গাছের বনভূমি ২০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কিন্তু কাজটি অত্যন্ত কঠিন। কারণ, জাপানের বনভূমির পরিমাণ বিশাল। দেশটির মোট ভূমির প্রায় ৬৮ শতাংশ বনাঞ্চল। এর এক-তৃতীয়াংশই সুগি ও হিনোকির কৃত্রিম বন। তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যের মাত্র ১৩ শতাংশ এলাকা বনাঞ্চল।
প্রাণহীন বন থেকে জীবন্ত প্রকৃতিতে ফেরা : সুগি ও হিনোকির কৃত্রিম বনে হাঁটলে এক ধরনের অস্বাভাবিক নীরবতা অনুভূত হয়। সব গাছ একই উচ্চতার, পাখি বা পোকামাকড় খুব কম দেখা যায়। শুকনো পাতায় মাটির স্তর নরম হয়ে থাকে, আলোও খুব কম পৌঁছায়।
এটি জাপানের প্রাকৃতিক বনগুলোর সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রাকৃতিক বনে রয়েছে বৈচিত্র্যময় গাছপালা, অসংখ্য প্রাণী ও পাখির কোলাহল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জাপানের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য দেশটিকে বিশ্বের অন্যতম জীববৈচিত্র্যময় অঞ্চলে পরিণত করেছিল। কিন্তু আবাসস্থল ধ্বংস ও আগ্রাসী প্রজাতির বিস্তারে অনেক প্রাণী এখন ঝুঁকির মুখে।
এ কারণে জাপান এখন কৃত্রিম বন সরিয়ে প্রাকৃতিক ও বৈচিত্র্যময় বন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।
কোবে শহরের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ : কোবে শহর ২০২০ সালে একটি বড় প্রকল্প শুরু করে। এর আওতায় ১৫ বছরের পরিকল্পনায় ১৮০ হেক্টরের বেশি কৃত্রিম বনকে প্রাকৃতিক চওড়া পাতার বনে রূপান্তর করা হচ্ছে।
প্রতি বছর নির্দিষ্ট এলাকা থেকে সুগি, হিনোকি ও বাঁশের মতো আগ্রাসী উদ্ভিদ কেটে ফেলা হচ্ছে। এরপর সূর্যের আলো মাটিতে পৌঁছালে প্রাকৃতিকভাবে নতুন গাছ জন্ম নিচ্ছে। পাশাপাশি কর্মীরা নতুন চারা রোপণ করছেন এবং পাখি ও প্রাণীর মাধ্যমেও নতুন উদ্ভিদ ছড়িয়ে পড়ছে।
কোবে সিটি এনভায়রনমেন্টাল ব্যুরোর প্রধান আতশুচি ওকাদা বলেন, আমাদের পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, আবারও নানা প্রাণী ও পোকামাকড় ফিরে আসছে। ব্যাজার, কচ্ছপ, ব্যাঙ এবং বিরল কিছু পোকাও এখন দেখা যাচ্ছে।
এ প্রকল্পের আরেকটি লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে কোবে শহরের মোট ভূমির ৩০ শতাংশকে সংরক্ষিত এলাকায় পরিণত করা।
কোবে সিটির এক বন কর্মকর্তা বলেন, বৈচিত্র্যময় বন ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাড়তে থাকা ভূমিধস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকেও শহরকে সুরক্ষা দেবে।
কাটা গাছগুলো ফেলে দেয়া হচ্ছে না। এগুলো জ্বালানি, আসবাবপত্র এবং ধোঁয়াবিহীন জাপানি সাদা কয়লা তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রকল্পটি যেন সরকারি অর্থের ওপর নির্ভরশীল না থাকে, সেই চেষ্টাও চলছে।
আরও পড়ুন <> একাধিক সম্পর্ক উপভোগ করছেন নায়িকা!
জাপানজুড়ে নতুন উদ্যোগ : এ ধরনের প্রকল্প এখন জাপানের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। ওসাকার হোতানি এলাকায় জলাভূমি ও তৃণভূমি পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে।
এছাড়া গুনমা প্রিফেকচারে সবচেয়ে বড় প্রকল্পের আওতায় ১০ হাজার হেক্টর কৃত্রিম বনকে ঘাসভূমি ও মিশ্র বনভূমিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
সরকারি ঘোষণার পর প্রায় ৯ লাখ ৮০ হাজার হেক্টর সুগি বনকে বিশেষভাবে কেটে পুনরায় বনসৃজনের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে সব এলাকায় প্রাকৃতিক বন তৈরি করা হচ্ছে না। কোথাও কোথাও কম পরাগরেণু উৎপাদনকারী নতুন সুগি গাছও লাগানো হচ্ছে।
প্রযুক্তি ও চিকিৎসার লড়াই : জাপান এখন শুধু বন পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করছে না। পরাগরেণুর পূর্বাভাস ও তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে কোন অঞ্চল থেকে বেশি পরাগরেণু ছড়াচ্ছে, তা শনাক্ত করা হচ্ছে।
২০২৩ সালে একটি আবহাওয়া পূর্বাভাসকারী প্রতিষ্ঠান হাজার হাজার পরাগরেণু শনাক্তকারী রোবট বিতরণ করে। এ রোবটগুলোর চোখ পরাগরেণুর মাত্রা অনুযায়ী রঙ পরিবর্তন করে।
গবেষকেরা গাছে বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করে পরাগরেণু কমানোর উপায়ও খুঁজছেন।
চিকিৎসাবিজ্ঞানেও চলছে নানা পরীক্ষা। জাপানের এক গবেষণায় দেখা গেছে, জিহ্বার নিচে গ্রহণযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি ইমিউনোথেরাপি ট্যাবলেট চিকিৎসা শেষ হওয়ার দুই বছর পরও অ্যালার্জির উপসর্গ কমাতে সক্ষম হয়েছে।
এমনকি বিজ্ঞানীরা অ্যালার্জি কমাতে জিন পরিবর্তিত ধান নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন।
অর্থনীতি ও বনশিল্পের দ্বন্দ্ব : ১৯৫০ ও ৬০-এর দশকে সুগি ও হিনোকি লাগানোর সময় ধারণা ছিল, এগুলো ধীরে ধীরে কেটে নতুন গাছ লাগানো হবে। কিন্তু ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকে জাপানের অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পেলে বিদেশ থেকে কাঠ আমদানি করা সস্তা হয়ে পড়ে। ফলে স্থানীয় বনগুলো আর কাটা হয়নি।
২০১১ সালে জাপান বিদেশি কাঠের ওপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্য নেয়। ২০১০ সালে দেশটির ব্যবহৃত কাঠের মাত্র ২৬ শতাংশ দেশীয় উৎস থেকে এলেও ২০২০ সালে তা বেড়ে প্রায় ৪২ শতাংশে পৌঁছেছে।
তবে পরিবেশবিদরা সতর্ক করছেন, যেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মতো নির্বিচারে বন উজাড়ের পথে জাপান না হাঁটে।
ফ্রেন্ডস অব দ্য আর্থ জাপানের বন প্রকল্প সমন্বয়কারী জুনিচি মিশিবা বলেন, গাছ কাটার উৎসাহ বাড়ায় অনেক জায়গায় আবার পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডও বাড়ছে। গাছ কাটার উৎসাহ বাড়ায় অনেক জায়গায় আবার পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডও বাড়ছে।
নতুন কর আরোপ : কৃত্রিম বন বদলে নতুন বন তৈরির কাজ এগিয়ে নিতে ২০২৪ সালে জাপান সরকার প্রত্যেক নাগরিকের ওপর বছরে এক হাজার ইয়েন নতুন কর আরোপ করেছে।
এই অর্থ টেকসই বন ব্যবস্থাপনা, পুরোনো সুগি গাছ অপসারণ এবং কম পরাগরেণু উৎপাদনকারী নতুন গাছ লাগানোর কাজে ব্যয় করা হচ্ছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু অর্থ দিলেই হবে না। স্থানীয় প্রশাসনের অনেক জায়গায় প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও জনবল নেই।
২০২৩ সালের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জাপানে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কাটা বনভূমির মাত্র ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ এলাকায় পুনরায় গাছ লাগানো হয়েছে।
কোবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মিকা আকেসাকা সতর্ক করে বলেন, সঠিকভাবে বন ব্যবস্থাপনা না করলে ভূমিধসের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
জলবায়ু পরিবর্তনের নতুন হুমকি : জলবায়ু পরিবর্তন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে পরাগরেণু আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ২০২৫ সালে জাপানে ইতিহাসের সবচেয়ে আগাম পরাগরেণু বিস্তারের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।
জাপান ওয়েদার অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র মাই সাতো বলেন, তাপমাত্রা ও বাতাসের মতো আবহাওয়াগত উপাদান পরাগরেণু ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে।
অন্যদিকে জাপানের বনভূমি দেশটির কার্বন শোষণের বড় উৎস। প্রতি বছর বন যে কার্বন শোষণ করে, তার প্রায় অর্ধেকই আসে সুগি বন থেকে।
তবে গবেষণায় দেখা গেছে, পুরোনো গাছ কম কার্বন শোষণ করে। ফলে নতুন ও বৈচিত্র্যময় বন তৈরি করা ভবিষ্যতে জলবায়ু মোকাবিলার জন্যও জরুরি হয়ে উঠেছে।
১৯৬০ সালের আগে জাপানি ভাষায় ‘হে ফিভার’ বা মৌসুমি অ্যালার্জির জন্য আলাদা কোনো শব্দই ছিল না। ১৯৬৩ সালে প্রথমবার জাপানি সিডার পরাগরেণুজনিত অ্যালার্জি শনাক্ত করা হয়।
এখন দেশটির আশা, আবারও বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক বন ফিরিয়ে আনা গেলে একদিন জাপানের মানুষ হাঁচি-কাশি ছাড়াই বসন্ত উপভোগ করতে পারবে। সূত্র : বিবিসি
আপন দেশ/এমটিআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































