ছবি: আপন দেশ
আসিফ মাহমুদ দুর্নীতি করার কারণে জামায়াতের আমীর ঢাকা-১০ আসন ছাড়েননি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি বলেন, জামায়াত আমীরকে জিজ্ঞেস করলেই এ বিষয়ে উত্তর পাবেন। তিনি যদি ইমানদার হন, তবে হয় বিষয়টি এড়িয়ে যাবেন কিংবা উত্তর দেবেন না।
রোববার (৩১ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডির এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ বলেন, রাজনৈতিক কারণে নাহিদ ইসলাম এ বিষয় অস্বীকার করতে পারে। কিন্তু এটা শতভাগ সত্য, এখানে বিন্দু পরিমাণ ভেজাল নেই। আমি একটা ক্লু ধরে আসিফ মাহমুদ ও তার এপিএস মোয়াজ্জেমের দুর্নীতির তথ্য পেয়েছিলাম। এ বিষয়ে আমি আরেকজন উপদেষ্টার সঙ্গেও আলোচনা করেছিলাম। তিনিও বিষয়টি শুনে অবাক হয়েছিলেন।
তিনি বলেন, ঠিক ডিসি কেলেঙ্কারির তথ্যও অসত্য নয়। হাসনাত ও সারজিস এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ তথ্য আমি কিছু ক্লুসহ তাদের বিশ্বস্ত মানুষদের থেকে পেয়েছিলাম। এমনকি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রায় আওয়ামী লীগের সম্পদ দখল ও টাকা-পয়সা ছাড়া রাজনীতি হবে না, এমন কথা বলতো।
নাহিদ ইসলামের মন্ত্রী পাড়ার বাসায় রাজনৈতিক আলোচনায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মুখ থেকে সবসময় টাকাপয়সার আলাপটা আসত বলে জানান বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পরামর্শেই নিয়োগ পায়। সে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে জাতীয় নাগরিক কমিটিতে ছিল। মোহাম্মদ এজাজের মাধ্যমে অর্জিত টাকাপয়সা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও এনসিপির কাছে যায়। এটা এখন ওপেন সিক্রেট যে, এনসিপির শীর্ষ এক ডজন নেতা ব্যাপক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত।
আরও পড়ুন <<>> প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার গুরুত্ব অনেক বেশি: আবদুল্লাহ তাহের
বিএনপি নেতা বলেন, নিশ্চয়ই ভুলে যাননি, সারজিসের কাছে এক নারীর ৭ লাখ টাকা দেয়ার ভিডিও। এভাবে কাজ পাইয়ে দেয়ার কথা বলে মোট ৪৮ লাখ টাকা নেয় বলে সে নারী অভিযোগ করে।
পোস্টের শেষে রাশেদ বলেন, শহীদ ওসমান হাদী এনসিপির ৩টা অপরাধ চিহ্নিত করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো এনসিপি দুর্নীতি করেছে। শহীদ ওসমান হাদী নিশ্চই মিথ্যা বলে যাননি? মিথ্যা বললে এনসিপি বলুক, শহীদ ওসমান হাদি এনসিপি সম্পর্কে বিষোদগার করে গেছে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































