ছবি : আপন দেশ
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। যথাযথ মূল্যায়ন না পাওয়ায় আসন বণ্টনে বৈষম্যের অভিযোগ এনে দলটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
গণমাধ্যমকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল হাফিজ খসরু।
হাফিজ খসরু বলেন, এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকবে। তবে ভবিষ্যতে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়োজন হলে বিষয়টি তারা বিবেচনা করবে।
এর আগে শুক্রবার (২৪ জুলাই) দলটির নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী গনমাধ্যমে জানান, জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে তাদের অংশগ্রহণ ছিল মূলতঃ একটি নির্বাচনী সমঝোতা হিসেবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের পরেও জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন রাজপথের আন্দোলনে আমরা একসঙ্গে ছিলাম। তবে এখন খেলাফত মজলিস মনে করে, নিজের দলীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড জোরদার করা ও নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে কাজ করা অনেক বেশি প্রয়োজন। ফলে তাদের সঙ্গে আগের মতো সম্পর্ক রাখা হয়তো আর সম্ভব হবে না। আমরা আপাতত নিজেদের দলীয় ব্যানারে এগিয়ে যেতে চাই।
এদিকে, এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১১ দলীয় ঐক্য ছিলো মূলত নির্বাচনী সমঝোতা। নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ায় এ ঐক্যের কার্যকারিতা বস্তুত শেষ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন : জামায়াত জোট ছাড়ল খেলাফত মজলিস
তবুও নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ১১ দলীয় কিছু কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিস অংশ নেয়। এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের জন্য প্রয়োজন হলে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়াস-প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
আপন দেশ/এনএম
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































