ছবি: সংগৃহীত
কুয়েতের আহমেদ আল-জাবের বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।
সম্প্রতি এক মার্কিন বিমান হামলার প্রতিশোধ নিতে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।
তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত ইরানি সেনাবাহিনীর এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়, আধুনিক ড্রোনের সাহায্যে ওই ঘাঁটির সামরিক হ্যাঙ্গার, স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম মজুত রাখার গুদামগুলো লক্ষ্য করে এই বিধ্বংসী হামলাটি চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, মূলত ইরানের কেশম দ্বীপে একটি আবাসিক ভবনে চালানো প্রাণঘাতী মার্কিন হামলার জবাবে এ ড্রোন হামলা করেছে তেহরান। কুয়েতের এ সামরিক ঘাঁটিটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর আকাশপথে নজরদারি এবং সার্বিক অভিযান পরিচালনার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
তবে ওই অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থে আঘাত হানার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগে মিসরের ভূমধ্যসাগরীয় দামিয়েত্তা বন্দরেও যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন একটি গ্যাস সংরক্ষণকারী ট্যাংকারে ভয়াবহ ড্রোন হামলা হয়।
ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা আমব্রে জানায়, অজ্ঞাতনামা ওই হামলায় ‘এনারগোস উইন্টার’ নামের মার্কিন ট্যাংকারে আগুন ধরে তা পাশের ‘গ্যাসলগ সালেম’ জাহাজে ছড়িয়ে পড়ে। পরে মিসরের ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
আরও পড়ুন : ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশকে আরও নিরাপদ মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র
জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই মিসরের দামিয়েত্তা বন্দরে ওই ঘটনা ঘটে। ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর নৌ অবরোধ এবং ওয়াশিংটনের হুমকির মধ্যে এসব হামলা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাতকে আরও বৃহত্তর পরিসরে ছড়িয়ে দিচ্ছে।
আপন দেশ/এনএম
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































