ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে পারমাণবিক যুদ্ধের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। মস্কো সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইউক্রেনকে পারমাণবিক অস্ত্র দেয়া হলে তারা বসে থাকবে না।
দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ও নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স যদি ইউক্রেনকে পারমাণবিক ওয়ারহেড সরবরাহ করে, তাহলে তা সরাসরি যুদ্ধরত একটি দেশের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র তুলে দেয়ার শামিল হবে। এর জবাবে রাশিয়া কৌশলগত নয় এমন পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পথেও যেতে পারে।
তুরস্কভিত্তিক বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ইউক্রেনকে পারমাণবিক অস্ত্র দেয়ার সম্ভাবনা ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মস্কোয় এক বক্তব্যে মেদভেদেভ বলেন, লন্ডন ও প্যারিস এমন সিদ্ধান্ত নিলে রাশিয়া ‘নন-স্ট্র্যাটেজিক’ বা স্বল্প পাল্লার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে বাধ্য হতে পারে।
মেসেঞ্জার অ্যাপে দেয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা এসভিআর-এর তথ্যে জানা গেছে, ইউক্রেনকে পারমাণবিক অস্ত্র দেয়ার গোপন পরিকল্পনায় ব্রিটেন ও ফ্রান্স জড়িত। তার ভাষ্য, এমন পদক্ষেপের অর্থ হবে সরাসরি যুদ্ধরত একটি দেশের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র তুলে দেয়া, যা পরিস্থিতিকে আমূল বদলে দিতে পারে।
মেদভেদেভ আরও বলেন, রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে হলে ইউক্রেনের ভেতরে যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হতে পারে। প্রয়োজনে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটিকে তিনি ‘সমমাপের প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এদিকে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ আলাদা বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের পরিকল্পনা বৈশ্বিক পারমাণবিক বিস্তাররোধ ব্যবস্থার জন্য বড় হুমকি ও আন্তর্জাতিক আইন, নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন।
আপন দেশ/এমবি
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































