ছবি: সংগৃহীত
জাপানের উপকূলীয় অঞ্চলে টানা তিন সপ্তাহ ধরে চলা ভারী তুষারপাতে দেশজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুর্যোগে অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৫৫৮ জন।
জাপানের ফায়ার অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটির সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, দীর্ঘস্থায়ী এ বরফঝড়ে প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
উত্তরাঞ্চলের বহু এলাকা বরফে ঢেকে গেছে। জাপান সাগরসংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। দৈনন্দিন জীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ মৃত্যু হয়েছে ছাদ থেকে বরফ পড়ে কিংবা বরফ পরিষ্কার করতে গিয়ে পিছলে পড়ে। দুর্ঘটনাগুলোর বেশিরভাগই বাড়িঘর ও আবাসিক এলাকার আশপাশে ঘটেছে।
উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর আওমোরিতে জমে থাকা বরফের পুরুত্ব দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ দশমিক ৩ মিটার। এটি চার ফুটেরও বেশি। ফলে সেখানকার স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
আরও পড়ুন <<>> ভারতের মণিপুর ফের উত্তপ্ত
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) জাপানের আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আসন্ন গ্রীষ্মকালে এল নিনো ঘটার সম্ভাবনা ৬০ শতাংশ। বসন্তকালে এল নিনো হওয়ার সম্ভাবনা ধরা হয়েছে ৫০ শতাংশ। একই সঙ্গে স্বাভাবিক আবহাওয়া বিরাজ করার সম্ভাবনাও ৫০ শতাংশ বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
আবহাওয়াবিদরা জানান, এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার ঘটনা। বিপরীতে লা নিনো ঘটে যখন সমুদ্রের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকে। এ দুটি প্রক্রিয়া বিশ্বজুড়ে বন্যা ও খরার মতো চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































