স্বর্ণের অলঙ্কার
মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এতে মূল্যস্ফীতি ও যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সম্ভাব্য সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক স্বর্ণের বাজারে। টানা দুই দফা মূল্যবৃদ্ধির পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে ধস নেমেছে। ফলে রোববার (২৬ জুলাই) দেশে নতুন নির্ধারিত দামেই বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ।
সর্বশেষ শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সংগঠনটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুসের ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ মূল্য কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা ও ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে।
আরও পড়ুন<<>>কাঁচা মরিচের ঝাঁজে ক্রেতার চোখে পানি
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৯৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৪৫ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৮ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। প্রতি ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে চার হাজার ৬০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম চার হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই হাজার ৮৫৮ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়মই বহাল থাকবে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































