ছবি: সংগৃহীত
মিয়ানমারের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়ের টাডা-উ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এ বন্দরে বিদ্রোহী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের (পিডিএফ) ড্রোন হামলা হয়েছে।
এরপর থেকে বিমানবন্দরটির সব ধরনের ফ্লাইট পরিচালনা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা মিয়ানমার এয়ারওয়েজ ইন্টারন্যাশনাল তাদের ফেসবুক পেজে জানায়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) হামলার ঘটনার পর মান্দালয় বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলো সাময়িকভাবে নিকটবর্তী অন্য একটি বিমানবন্দরে স্থানান্তর করা হয়েছে। এর ফলে শুক্রবার ও শনিবারের অনেক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
মিয়ানমারের সামরিক জান্তাশাসিত রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার’ জানায়, গণতন্ত্রকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের ছোড়া ছয়টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম আত্মঘাতী ড্রোন প্রতিহত করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
আরও পড়ুন <<>> ৯/১১ হামলা: ২৫ বছরেও শেষ হয়নি গোয়েন্দা ব্যর্থতার বিতর্ক
ড্রোন হামলায় বিমানবন্দর বা রানওয়ের কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানবন্দরে থাকা সামরিক বাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলোকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালিয়েছিল বিরোধীরা।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ তীব্র রূপ ধারণ করেছে। সাবেক সামরিক জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং গত এপ্রিলে সামরিক নিয়ন্ত্রিত পার্লামেন্টের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন।
তবে দেশজুড়ে সশস্ত্র নৃগোষ্ঠী এবং গণতন্ত্রকামী মিলিশিয়াদের ধারাবাহিক হামলায় কোণঠাসা হয়ে পড়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































