ছবি : সংগৃহীত
একই দিনে দুই দফা মূল্য সমন্বয়ে দেশের স্বর্ণবাজারে অস্বাভাবিক ওঠানামা দেখা গেছে। সকালে দাম কমানোর ঘোষণা দিলেও বিকেলে আবার তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমায় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৬ টাকা। এ সিদ্ধান্ত সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
সকালের নির্ধারিত দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি বিক্রি হচ্ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩০ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৬ টাকা।
আরও পড়ুন<<>>২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দাম আরও কমল
তবে একইদিন সন্ধ্যায় পরিস্থিতি পাল্টে যায়। তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাজুসের প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং স্ট্যান্ডিং কমিটির জরুরি বৈঠকে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নতুন এ দর সন্ধ্যা ৭টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।
সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি বিক্রি হবে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৪ টাকায়, ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৪ টাকা।
বাজুস জানায়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ডের দামের ওঠানামার প্রভাবেই এদিন দুই দফা মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে বুধবার (২৯ এপ্রিল) ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৬০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩ বার দাম বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয়ের মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানোর নজির রয়েছে।
বাজুস আরও জানায়, নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

























