Apan Desh | আপন দেশ

মূল্যস্ফীতি

সকালে কমলেও বিকেলে বাড়লো স্বর্ণের দাম

সকালে কমলেও বিকেলে বাড়লো স্বর্ণের দাম

একই দিনে দুই দফা মূল্য সমন্বয়ে দেশের স্বর্ণবাজারে অস্বাভাবিক ওঠানামা দেখা গেছে। সকালে দাম কমানোর ঘোষণা দিলেও বিকেলে আবার তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমায় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৬ টাকা। এ সিদ্ধান্ত সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সকালের নির্ধারিত দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি বিক্রি হচ্ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩০ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৬ টাকা। 

০৭:৫৭ পিএম, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে পণ্যের দাম বাড়বে: বাণিজ্যমন্ত্রী

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে পণ্যের দাম বাড়বে: বাণিজ্যমন্ত্রী

জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে যাতে মূল্যস্ফীতির প্রভাব বিভিন্ন খাতে না পড়ে, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। সে তুলনায় দেশে জ্বালানির সীমিত মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে সিলেটের সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে হাম ও রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা জানান। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আমরা যে খাদ্য খাই, তা জ্বালানি তেলে তৈরি না। এর দাম উৎপাদন খরচ ও পরিবহন ব্যয়ের সঙ্গে জড়িত। ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রিতেও জ্বালানি খরচ হয় মোট উৎপাদন খরচের ৭-৮ শতাংশ। তাই পণ্যমূল্য খুব বেশি বাড়বে না।

০৬:১৬ পিএম, ২০ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় দরপতন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় দরপতন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ডলারের মান বৃদ্ধি ও তেলের দাম বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এতে চলতি বছরে সুদের হার কমানোর যে প্রত্যাশা ছিল, তা ফিকে হয়ে আসছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। সোমবার (১৩ এপ্রিল) স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭১৮ দশমিক ৯৮ ডলারে নেমে এসেছে। এটি গত ৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন অবস্থান। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭৪২ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

০৩:৪৯ পিএম, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার

মার্চে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৭১ শতাংশে

মার্চে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৭১ শতাংশে

২০২৬ সালের মার্চে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮.৭১ শতাংশে। এর আগের মাস ফেব্রুয়ারিতে এ হার ছিল ৯.১৩ শতাংশ। আগের বছরের মার্চে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯.৩৫ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৮.২৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ফেব্রুয়ারি মাসে ছিল ৯.৩০ শতাংশ। তবে গত বছরের মার্চে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.৯৩ শতাংশ অন্যদিকে, খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে এবছরের মার্চে দাঁড়িয়েছে ৯.০৯ শতাংশে, যা ফেব্রুয়ারি মাসে ছিল ৯.০১ শতাংশ। তবে এ খাতে ২০২৫ সালের মার্চে মূল্যস্ফীতি ছিল তুলনামূলক বেশি, ৯.৭০ শতাংশ।

০৬:৩৪ পিএম, ৫ এপ্রিল ২০২৬ রোববার

চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশে নামতে পারে: গভর্নর

চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশে নামতে পারে: গভর্নর

চলতি অর্থবছরের শেষ নাগাদ মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে। এ মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংক–গভর্নর আহসান এইচ মনসুর এ আশা প্রকাশ করেন। বৃহস্পতিবার (০৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। গভর্নর বলেন, ২০২৪ সালে মূল্যস্ফীতি ১২ শতাংশের বেশি হয়েছিল, তবে সাম্প্রতিক সময়ের প্রবণতা আশাব্যঞ্জক। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে, সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২ শতাংশে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে তা ৫ শতাংশে নামানো সম্ভব হবে। নীতিসূদহার কমানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সুদের প্রকৃত হার ইতিবাচক না থাকলে হার কমানো সম্ভব নয়। বৈদেশিক ঋণ কমাতে হলে প্রথমেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ জরুরি।

০৯:৫০ পিএম, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার

সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৬ শতাংশ

সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৬ শতাংশ

দেশে সেপ্টেম্বর মাসে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশে। যা আগের মাস আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। সোমবার (০৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাসিক ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতিতে সামান্য ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। বিবিএসের তথ্য বলছে, গত বছরের একই সময়ে অর্থাৎ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ। অর্থাৎ, বছরওয়ারি হিসেবে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমলেও মাসওয়ারি ভিত্তিতে তা আবার বেড়েছে। খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সেপ্টেম্বর মাসে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৬৪ শতাংশে। যা আগস্টে ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। অন্যদিকে, খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। যা এক মাস আগে ছিল ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ।

০৬:৫১ পিএম, ৬ অক্টোবর ২০২৫ সোমবার

মূল্যস্ফীতি বাড়ছেই, মুদ্রানীতি প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

মূল্যস্ফীতি বাড়ছেই, মুদ্রানীতি প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

মূল্যস্ফীতির লাগাম ধরতে ঘোষণা করা হয় মুদ্রানীতি। আশা করা হয়, মুদ্রানীতি প্রয়োগে নিত্যপণ্যের দাম কমবে। কিন্তু সে আশায় গুড়েবালি। নভেম্বর-ডিসেম্বর মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছিল। তবে ভোটের পর জানুয়ারি থেকে ফের বাড়ছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মুদ্রানীতি ছিল কৌশলগত। ভোট কেন্দ্রিক। মূল্যস্ফীতিই নিয়ন্ত্রণে সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে কঠোর হবার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। গত জানুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশে। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর এটিই সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি। শহর ও গ্রাম দু’জায়গাতেই মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

০৭:০০ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ শুক্রবার

মূল্যস্ফীতির চাপে তহবিল বন্ধ করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

মূল্যস্ফীতির চাপে তহবিল বন্ধ করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক কাউকে টাকা দিলে মানি ক্রিয়েশন হয়। এর ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়ে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধীরে ধীরে কেয়ারলেস সোসাইটির দিকে এগোচ্ছে। ২০২৬ সালের মধ্যে ৭৫ শতাংশ লেনদেন ক্যাশলেসভিত্তিক হয়ে যাবে। কোনো সিস্টেমকে ডিজিটাল করলেই তার কাজ শেষ হয়ে যায় না সিস্টেমকে মেইনটেইন্যান্স করাটা প্রধান সমস্যা। এই পুরো সিস্টেমটি এনআইডিভিত্তিক। এই মুহূর্তে ৫০ প্রতিষ্ঠানে ডাটা আপলোড করা আছে। এই মুহূর্তে ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আলাদা কোনো তহবিল দেয়া সম্ভব নয়। জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গর্ভনর আব্দুর রউফ তালুকদার।

১০:৩৫ পিএম, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বৃহস্পতিবার

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আরও উদ্যোগ প্রয়োজন: আইএমএফ

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আরও উদ্যোগ প্রয়োজন: আইএমএফ

গত মাসে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এটি চলমান মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। তবে স্থিতিশীল করতে আরও উদ্যোগের প্রয়োজন। এমনটাই মনে করে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। বাংলাদেশকে ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে আইএমএফ। এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মুদ্রানীতি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন নীতিতে মূল্যস্ফীতি হ্রাস করতে বেশ কয়েকটি উদ্যোগের কথা বলা আছে। এর মধ্যে পলিসি হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে আট শতাংশ করা, বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ১১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা।

০৩:২০ পিএম, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বৃহস্পতিবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement