ছবি: আপন দেশ
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রামে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা সরকারি চালের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, টাকা দিয়ে খাওয়ার জন্য কেনা চালের মধ্যে নষ্ট, পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত চাল পাওয়া যাচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, সরকার হতদরিদ্র মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে চাল সরবরাহ করছে। তারা টাকা দিয়ে সে চাল কিনে পরিবারের খাবারের জন্য ব্যবহার করেন। কিন্তু নষ্ট ও দুর্গন্ধযুক্ত চাল পাওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, দ্রুত চালের মান পরীক্ষা করে বিষয়টি তদন্ত করা হোক।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে কার্ডপ্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল বিতরণের কথা রয়েছে। বনগ্রামের নির্ধারিত বিক্রয়কেন্দ্র থেকে এসব চাল বিতরণ করা হচ্ছে।
চালের মান নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ডিলারের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
আরও পড়ুন<<>>কুড়িগ্রামে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ
এদিকে সংশ্লিষ্ট খাদ্য কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, ডিলার বিএনপির নেতা। তিনি গোডাউন থেকে চাল বুঝে নিয়ে ভুক্তভোগীদের ওজনে কম দিলে আমি কী করব? তবে এ বিষয়ে ডিলারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ রওজাতুন জান্নাতের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, ভুক্তভোগীদের মাঝে চাল কম দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। সঠিক মাপ অনুযায়ী চাল দিতে হবে। আমি খাদ্য কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে দেখছি।
এখন প্রশ্ন উঠেছে সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে নষ্ট বা পচা চাল কীভাবে বিতরণের পর্যায়ে এলো? চাল গ্রহণ, সংরক্ষণ কিংবা বিতরণের কোন পর্যায়ে সমস্যা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের মান নিশ্চিত করতে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হোক। একই সঙ্গে তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































