ছবি: আপন দেশ
দীর্ঘ ৩০ বছরের বেশি সময় পর সরাসরি ভোটে টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি’র পরিচালনা পরিষদের নির্বাচন হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমে টিটু।
শনিবার (০৬ জুন) রাতে নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে দুই বছর মেয়াদি টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি, ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি, সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
পরিষদের অন্য নির্বাচিত কর্মকর্তারা হলেন- ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি স্বপন ঘোষ, সহ-সভাপতি খন্দকার রাশেদুল আলম, মো. নুরুল আলম, দুলাল চন্দ্র সাহা ও সৈয়দ যুবায়ের আব্দুল্লাহ।
এর আগে সোমবার (০২ জুন) টাঙ্গাইল ক্লাব মিলনায়তনে পরিচালক পদে ভোটগ্রহণ শেষে রাতেই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে পরিচালক পদে ‘এ’ শ্রেণিতে ১৮ জন এবং ‘বি’ শ্রেণিতে ১২ জন নির্বাচিত হন।
আরও পড়ুন<<>>মে মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৪২ শতাংশ
‘এ’ শ্রেণিতে নির্বাচিত পরিচালকরা হচ্ছেন- বেনজীর আহমেদ টিটু, মো. নুরুল আলম, নাজমুল আহসান, শংকর সরকার, স্বপন ঘোষ, আখতার হোসেন খান, খন্দকার রাশেদুল আলম, তারেকুল ইসলাম (ঝলক), বিশ্বজিৎ কুমার সাহা (লিটন), আনবসুর রহমান চৌধুরী, সামসুর রহমান চৌধুরী, প্রভাত কুমার ধর, দুলাল চন্দ্র সাহা, খন্দকার আব্দুল মোকাদ্দেম, মির্জা জিয়াউর রহমান, মো. নুরুল ইসলাম (রবিন), মো. সরোয়ার হোসেন খান, মো. আব্দুল্লাহ হেল কাফি।
‘বি’ শ্রেণিতে নির্বাচিত ১২ জন পরিচালক হচ্ছেন- মো. রোকনউদ্দিন, সৈয়দ যুবায়ের আব্দুল্লাহ, ইকবাল হোসেন জুয়েল, আবু সাঈদ চৌধুরী, মো. ফয়জুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, কাজী শফিকুল ইসলাম (লিটন), মো. আরিফ হোসেন, মীর মিরাজ হোসেন, আজিম উদ্দিন রবিন, পলাশ চন্দ্র বসাক ও খন্দকার নাজমুল হায়দার (সৈকত)।
টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সূত্র জানায়, তাদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ‘এ’ ও ‘বি’ উভয় শ্রণি থেকে নির্বাচিত ৩০ জন পরিচালকের মধ্য থেকে সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচন করা হয়।
প্রধান নির্বচন কমিশনার জেলা আ্যডভোকেট বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাঈদুল ইসলাম জানান, সোমবার সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ করা হয়।
দীর্ঘদিন পর ভোটদানের সুযোগ পেয়ে সাধারণ ভোটাররা আনন্দিত। উৎসবমুখর পরিবেশে সবাই ভোট দিতে পেরেছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব নির্বাচনের সুযোগ পেয়ে সবাই খুশী। এমন গনতন্ত্রিক চর্চা যেন অব্যাহত থাকে।
প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ীদের নেতৃত্বদানকারী এ সংগঠনের সর্বশেষ ১৯৮৪ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তারপর থেকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ শুরু হয়। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকতো সে দলের নেতারা তাদের পছন্দের লোকদের দিয়ে পরিচালনা পরিষদ গঠন করে দিতেন। সাধারণ ভোটাররা ভোটদানের সুযোগ পেতেন না।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































