ছবি: আপন দেশ
ভারত থেকে জোরপূর্বক লোকজন ঠেলে পাঠানোর (পুশ-ইন) প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় হবিগঞ্জ সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জেলার প্রায় ১০৩ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে ২৪ ঘণ্টার টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, মাইকিং এবং উঠান বৈঠকের মাধ্যমে স্থানীয়দের সতর্ক করা হচ্ছে।
রোববার (০৭ জুন) বিজিবি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত হবিগঞ্জ সীমান্তে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি।
শনিবার (০৬ জুন) গভীর রাতে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক মাইকিং করে হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। পাশাপাশি উঠান বৈঠকের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের পুশ-ইনের ঝুঁকি, সন্দেহজনক তৎপরতা শনাক্তকরণ এবং দ্রুত বিজিবিকে তথ্য দেয়ার বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে গ্রাম পুলিশ ও আনসার-ভিডিপির সদস্যরাও অংশ নিচ্ছেন।
বিজিবির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা। চুনারুঘাট উপজেলার গুইবিল এলাকার ভ্যানচালক মো. মজনু মিয়া বলেন, রাতের মাইকিংয়ের কারণে মানুষ আরও সতর্ক হয়েছে। বিজিবির নিয়মিত টহলে তারা নিরাপদ বোধ করছেন।
মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া এলাকার চা-বাগানকর্মী মোহন লাল বলেন, উঠান বৈঠকে পুশ-ইনের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ সন্দেহজনক ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত তথ্য দিতে আগ্রহী হচ্ছেন।
আরও পড়ুন <<>> রামপালে দুই মাংস বিক্রেতার জরিমানাসহ কারাদণ্ড
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় সচেতনতামূলক সভা, প্রচার কার্যক্রম ও মাইকিং অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালিয়ে যেকোনো সন্দেহজনক তৎপরতা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরোধ করা হচ্ছে।
হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রতিটি বিওপিতে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সীমান্তের প্রতিটি অংশ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, রাতের নিরাপত্তা জোরদারে থার্মাল ও ইনফ্রারেড ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































