ছবি : সংগৃহীত
যুদ্ধ বিরতি ও সমঝোতা চুক্তি ভেঙে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে গত দুই দিন ধরে হামলা বন্ধ রেখেছে মার্কিন বাহিনী। মূলত ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও জোরদারের পরিকল্পনা থাকলেও শেষ মুহূর্তে স্থগিত করে ট্রাম্প প্রশাসন। ইরানের পাল্টা হামলা প্রতিহত করার জন্য প্রয়োজনীয় ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কাই ছিল এ সিদ্ধান্তের প্রধান কারণ।
অস্ত্র সঙ্কটের আশঙ্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে আরও বাড়াতে চাননি। স্থানীয় সময় শনিবার (২৫ জুলাই) দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে এ কথা জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।
কর্মকর্তাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে হোয়াইট হাউসের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল মার্কিন ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি। বিশেষ করে জর্ডানে তিন জন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর এটি নতুন করে আলোচনায় আসে।
ওই হামলায় ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল। কিন্তু মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতিহত করতে পারেনি। এতে ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। আর তিন মার্কিন সেনা প্রাণ হারান।
আরও পড়ুন<<>>বাড়ির ওপর বিমান আছড়ে পড়ল
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের সূত্র অনুযায়ী, মার্কিন জেনারেল ড্যান কেইন বলেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে ফিরে যাওয়া সম্ভব, তবে এতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের জন্য থাকা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চিয়াং দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ট্রাম্প সবসময়ই বলে আসছেন যে তিনি একটি কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দেন, তবে ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে বা মিত্রদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়, তাহলে তিনি সব ধরনের বিকল্প খোলা রাখবেন।
চিয়াং আরও বলেন, ইরানের জন্য আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতার দিকে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে; অন্যথায়, তারা জানে কী ঘটবে।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে আবার বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করলে তা তাদেরকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনবে না।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































