ছবি: সংগৃহীত
অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের অন্তত ২৩১ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে উগান্ডা। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া বসবাস, মানবপাচার এবং সাইবার অপরাধে জড়িত থাকার সন্দেহে তাদের আটক করা হয়।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সোমবার (২৭ এপ্রিল) থেকে দেশের উত্তরাঞ্চল ও রাজধানী কাম্পালায়ে এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছিল।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাম্পালার একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে বিপুল সংখ্যক বিদেশির অবস্থান পাওয়া যায়। সেখানে নিজস্ব রেস্তোরাঁসহ নানা সুবিধা ছিল। সেখান থেকে ১৬৯ জনকে আটক করা হয়, যাদের মধ্যে ৩৬ জন নারী।
আটকদের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, ঘানা, মিয়ানমার, ইথিওপিয়া, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া ও মালয়েশিয়ার নাগরিক রয়েছেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আটককৃতদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের উগান্ডায় আনা হয়েছে। আবার অনেকের বিরুদ্ধে সাইবার প্রতারণায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনেকের কাছ থেকে অপরাধে ব্যবহৃত সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে। কিছু ব্যক্তির কাছে বৈধ পাসপোর্টও ছিল না।
আরও পড়ুন <<>> মালয়েশিয়ায় ১১ বাংলাদেশিসহ আটক ৭৭
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইমন পিটার মুন্ডেয়ি জানান, আটককৃতদের তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো—পাচারের শিকার ব্যক্তি, অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন এবং ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ অভিবাসী। বর্তমানে তাদের দুটি স্থানে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, যাদের বিরুদ্ধে আইন ভঙ্গের প্রমাণ মিলবে, তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হবে। আর পাচারের শিকার ও ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যক্তিদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে সহায়তা করা হবে। তবে পাচারের মূল হোতাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার পরই তাদের ফেরত পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, উগান্ডা সাধারণত বিদেশি ও শরণার্থীদের জন্য উদার নীতি অনুসরণ করে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অবৈধ অভিবাসন ও সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দেশটি কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।



























