ছবি : সংগৃহীত
গ্রুপ পর্ব থেকেই দুর্দান্ত ছিলেন লিওনেল মেসি। তার নৈপূণ্যে টানা দ্বিতীয়বার সেমিফাইনালে উঠেছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু ফাইনালে এ মহাতারকাকে খুঁজে পাওয়া গেল না চেনা ছন্দে। ফলে যা হবার তাই হয়েছে। বিশ্বকাপ শিরোপা হাতছাড়া।
বাংলাদেশ সময় সোমবার (২০ জুলাই) ভোরের দিকে শেষ হওয়া ফাইনালে মাঠের লড়াইয়ে স্পেনের সামনে রীতিমতো কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে স্প্যানিশদের আক্রমণের তোড়ে আলবিসেলেস্তেরা এতটাই দিশেহারা ছিল যে, প্রতিপক্ষের গোল অভিমুখে একটি শটও নিতে পারেনি। অতিরিক্ত সময়ে দুই শট নিলেও সেগুলো লক্ষ্যে ছিলো না। বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং বিব্রতকর রেকর্ড।
লা রজার একের পর এক আক্রমণের ঢেউ সামলে রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় ম্যাচটি কোনোমতে অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যেতে পেরেছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। অবশ্য দ্বিতীয় অর্ধেকের ইনজুরি টাইমে এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে শেষ মুহূর্তটা ১০ জন নিয়েই পার করতে হয় তাদের।
আরও পড়ুন<<>>বিশ্বকাপ জিতে কত ডলার পেল স্পেন, আর্জেন্টিনাসহ অন্যরা যত পাচ্ছে
পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে মাঠের চিত্রটা কেমন একতরফা ছিল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে স্পেন যেখানে ১৫টি শট নিয়েছিল, সেখানে আর্জেন্টিনার নামের পাশে ছিল শূন্য! স্প্যানিশরা কর্নার পেয়েছিল ৯টি, আর আর্জেন্টিনা আদায় করতে পেরেছিল মাত্র ১টি। এমন একচ্ছত্র আধিপত্যের পরও অবশ্য নির্ধারিত সময়ে গোলমুখ খুলতে পারেনি স্পেন।
অতিরিক্ত সময়ে শুরুর দিকে স্পেন বল জালে জড়ালেও ফাউলের কারণে বিতর্কিতভাবে তা বাতিল করা হয়। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে অবশেষে জালের দেখা পায় স্পেন। ফেরান তরেসের এ গোল ধরেই জেতে তারা।
এবারের ফাইনালের ইতিহাসের অন্য সব আসরকে ছাড়িয়ে গেছে এক নেতিবাচক দিক থেকে। ওপ্টার তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬৬ সাল থেকে রেকর্ড রাখা শুরুর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে এবারই প্রথম কোন দল প্রতিপক্ষের গোলমুখ লক্ষ্য করে কোন শট নিতে পারেনি। আর্জেন্টিনার নাম উঠল এ বিব্রতকর রেকর্ডে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































