ছবি: সংগৃহীত
মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম এ বল হাতে আগুন ঝরাচ্ছেন নাহিদ রানা। পাকিস্তানের ইনিংসের প্রথম পাঁচ উইকেটই তুলে নিয়েছেন এ তরুণ পেসার। সেটিও করেছেন নিজের প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যেই। এটি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার।
২৩.৫ ওভার শেষে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৮২ রান।
নতুন বলে শুরুতে মিতব্যয়ী বোলিং করেন তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। তবে উইকেটের দেখা পাননি এ দুই অভিজ্ঞ পেসার। ফলে ইনিংসের সপ্তম ওভারেই স্পিন আক্রমণে যান অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। কিন্তু তাতেও উইকেট আসেনি।
পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে তাসকিনকে সরিয়ে নাহিদের হাতে বল তুলে দেন মিরাজ। আক্রমণে এসেই দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন এ ডানহাতি পেসার। ওভারের শেষ বলে তাকে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেন এর হাতে ক্যাচ দেন সাহিবজাদা ফারহান। ২৭ রান করা এ ওপেনার ফিরলে ভাঙে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।
আরও পড়ুন <<>> টস জিতলো বাংলাদেশ, ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান
এরপর নিজের পরের চার ওভারের প্রতিটিতেই উইকেট তুলে নেন নাহিদ। যথাক্রমে শামাইল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান তিনি। এতে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের টপ অর্ডার।
১৯তম ওভারে নাহিদের সঙ্গে উইকেট পার্টিতে যোগ দেন মিরাজও। ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটন দাস এর গ্লাভসে ক্যাচ বানান তিনি।
এরপর ২৩তম ওভারে হোসাইন তালাতকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মিরাজ। একই ওভারের পঞ্চম বলে শাহীন আফ্রিদীকে এলবিডব্লিউ করেন কাপ্তান মিরাজ। পরের ওভারেই তাসকিনের আগুন বোলিংয়ে শান্তর হাতে ধরা পড়ের মোহাম্মদ ওয়াসিম। এতে ৮২ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান।
কিন্তু এরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরানোর চেষ্টা করেন ফাহিম আশরাফ। যদিও বেশি দূর যাওয়া হয়নি তার। মোস্তাফিজের বলে তাসকিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাজঘরে। তবে শেষ উইকেটে স্পিনার আবরারকে নিয়ে গড়েন ৩২ রানের দারুণ পার্টনারশিপ। এতেই পাকিস্তানের পুঁজি দাঁড়ায় ১১৪।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































