ফাইল ছবি
দেশের বিপুল সংখ্যক শিল্প কারখানা ঢালাওভাবে নিলামে তোলার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। জনস্বার্থ বিরোধী এ সিদ্ধান্ত থেকে সরকারের বিরত থাকা উচিত বলে মনে করেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, দশ হাজার একরেরও বেশি জমির ওপর রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠিত ৪৪টি শিল্প কারখানা রয়েছে। সে কারখানাগুলি শিল্পসম্পদে পুনঃবিনিয়োগ, পুনর্গঠন ও পুনঃউন্নয়ন, ইজারাভিত্তিক ও দীর্ঘমেয়াদি ইজারাভিত্তিক ব্যবস্থা, যৌথ উদ্যোগ, কৌশলগত অংশীদারিত্ব নামে দেশি-বিদেশি বেসরকারি কোম্পানির কাছে বিক্রির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এটি মূলত রাষ্ট্রীয় সম্পদ তথা জনগণের মালিকানাধীন সম্পদের ওপর কর্পোরেট পুঁজির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি সুপরিকল্পিত উদ্যোগ। যা রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য সুখকর খবর নয়।
ন্যাপ মহাসচিব বলেন, সরকার এ উদ্যোগকে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির কর্মসূচি হিসেবে ভুল ও মিথ্যা প্রচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে এটি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের পরামর্শে নয়া উদারীকরণ ও বেসরকারিকরণ নীতিরই ধারাবাহিকতা মাত্র।
আরও পড়ুন <<>> দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
মহাসচিব বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ভূমি ও অবকাঠামো জনগণের সম্পদ। এসব সম্পদ কেবল বর্তমান প্রজন্মের নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও জাতীয় সম্পদ। শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, আঞ্চলিক ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই সাময়িক আর্থিক লাভ কিংবা বিনিয়োগ আকর্ষণের অজুহাতে এ সম্পদের ওপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী।
বিবৃতিতে তিনি ‘জাতীয় সম্পদ, অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প রক্ষায় সকল দেশপ্রেমিক, গণতান্ত্রিক দল, সংগঠন,ব্যক্তিসহ সকল দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলন গড়ে তুলে শাসকশ্রেণি ও লুটেরাদের ষড়যন্ত্র রুখে দাড়ানোর আহবান জানান।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































