Apan Desh | আপন দেশ

ভিপি নুরের ওপর আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর হামলায় সারজিস আলমের উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:৩৪, ২৯ আগস্ট ২০২৫

আপডেট: ২৩:৫৬, ২৯ আগস্ট ২০২৫

ভিপি নুরের ওপর আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর হামলায় সারজিস আলমের উদ্বেগ

ছবি: আপন দেশ

জিওপির সভাপতি ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর  আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর হামলার নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। রাত সাড়ে ৯টায় নুরুর ওপর হামলার পর তার নিজ ফেসবুকে পোষ্ট করে তিনি এ উদ্বেগের কথা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, এ সেনাবাহিনী এবং পুলিশ অবশ্যই নুরুল হক নূরকে ভালো করে চিনে। তারপরও প্ল্যান করে তাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। যারা পিছন থেকে কালো হাতের খেলা খেলার চেষ্টা করছে তাদের কালো হাত ভেঙে দেয়া হবে।

সারজিস আলমের পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘ফ্যাসিস্টবিরোধী লড়াইয়ের মাধ্যমে হাসিনা পতন আন্দোলনের অন্যতম সহযোদ্ধা নূর ভাইয়ের উপর সেনাবাহিনীর এই বর্বর রক্তাক্ত হামলাকে আমি স্বাভাবিক হামলা হিসেবে দেখিনা।

আর্মি কখনো উপরের নির্দেশ ছাড়া একটা পা ও ফেলে না। সেনাবাহিনীর মধ্যকার কার নির্দেশে নূর ভাইকে রক্তাক্ত করা হলো এ জবাব সেনাপ্রধান কে দিতে হবে। সেনাবাহিনীর মধ্যকার কারা একটা পার্টির আহবায়ক কে মেরে হলেও জাতীয় পার্টিকে রক্ষার মিশনে নেমেছে সেটাও খুঁজে বের করতে হবে।

পুলিশের মধ্যকার যে আওয়ামী দালালরা এখনো রয়ে গেছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। 
এই সেনাবাহিনী এবং পুলিশ অবশ্যই নুরুল হক নূরকে ভালো করে চিনে। তারপরও প্ল্যান করে তাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। যারা পিছন থেকে কালো হাতের খেলা খেলার চেষ্টা করছে তাদের কালো হাত ভেঙে দেয়া হবে।’

রাত সাড়ে ৯টার দিকে জিওপি ও জাপা নেতাকর্মীদের মধ্যে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাকর হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ করে। বিজয়নগর পানি ট্যাংকি এলাকা থেকে ধাওয়া করে সেনা ও পুলিশ।

নেতাকর্মীরা তাদের দলীয় অফিস আল রাজী কমপ্লেক্সের দিকে চলে যায়। এ সময় ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়। এতে জিওপি সভাপতি ভিপি নুরুল হক নুরসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন।তাদের মধ্যে রক্তাক্ত নুরকে উদ্ধার করে হাসপাতালের দিকে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। এরপর থেকে থেমে থেমে স্লোগান দিচ্ছে জিওপি নেতাকর্মীরা। ওদিকে জাতীয় পার্টি অফিসেই আছেন তাদের দলীয় নেতাকর্মীরা।

এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মশাল মিছিল নিয়ে জাপা অফিসের দিকে যায় জিওপি নেতাকর্মীরা। তাদের হাতে ছিল লাঠিসোটা।

প্রথম দফায় ইটপাটকেল নিক্ষেপে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁনসহ দলটির একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়।এর আগে বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল করে জিওপি নেতাকর্মীরা। তারা পুরানা পল্টনের আল-রাজী কমপ্লেক্সের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। সমাবেশ থেকে জাপার চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে গ্রেফতার ও দলটিকে নিষিদ্ধের দাবি জানায়।

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়