ফাইল ছবি
প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এ কথা জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
রোববার (০৮ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
আখতার আহমেদ জানান, যেসব ইউপির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে ভোটের উপযোগী হয়েছে, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রথম ধাপের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে দেশের বেশির ভাগ ইউপির নির্বাচন শেষ করার ইচ্ছা রয়েছে কমিশনের। তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপে ইউপির সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকবে।
প্রশাসনিক সুবিধার জন্য এক উপজেলার অধীন সব কটি ইউপিতে একই দিনে ভোট গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে মামলার জট বা সীমানা জটিলতা আছে কি না—তা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য মাঠ পর্যায়ে প্রাথমিক তালিকা পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবারের (১২ নভেম্বর) মধ্যে তালিকা চূড়ান্ত হতে পারে।
ইসি সচিব জানান, আগামী নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে না। এগুলো ডিসপোজাল করতে ফাইনাল স্টক টেকিং শুরু হয়েছে। কোন পদ্ধতিতে ডিসপোজ করা হবে, সে বিষয়ে সুপারিশ পাওয়ার পর জানানো হবে। নির্বাচনে তিন ধরনের কাগজের ব্যালট পেপার ছাপানোসহ আনুষঙ্গিক সব নির্বাচনি সামগ্রীর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
সচিব আরও বলেন, এ মুহূর্তে সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে কমিশনের কোনো পর্যালোচনা নেই। কমিশন এখন শুধু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে কাজ করছে। পরবর্তী সময়ে অন্য নির্বাচন প্রাসঙ্গিক হলে যথাসময়ে জানানো হবে।
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধন ও ভোটার তালিকা আরও নিখুঁত করতে একাধিক নতুন উদ্যোগের কথা প্রকাশ করেন ইসি সচিব।
আরও পড়ুন <<>> ঢাবির চার স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ
তিনি জানান, শিশুদের ছয় বছর বয়সে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সময় দেয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ইসির ডেটাবেইস গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এনআইডি ডেটাবেইস ও নিবন্ধন ফরমে ‘ফ্যামিলি ট্রি’ যুক্ত করার সফটওয়্যার উন্নয়নের কাজ চলছে। এর মাধ্যমে একজন নাগরিক মা-বাবার কততম সন্তান, তার বড় ভাই-বোনের নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য নিবন্ধিত থাকবে, যা ভবিষ্যতে যেকোনো তথ্য যাচাইয়ে বড় ভূমিকা রাখবে। নতুনদের পাশাপাশি পুরোনো ভোটারদের নবায়নের সময়ও এ তথ্য যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
স্মার্ট কার্ড সরবরাহসংক্রান্ত জটিলতার কথা স্বীকার করে ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, কোনো এনআইডি কার্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়নি। আগে ইস্যু করা লেমিনেটেড কার্ডগুলো এখনো পুরোপুরি বৈধ ও সচল রয়েছে। কার্ডের ১০ ডিজিটের নম্বরটিই মূল ভিত্তি, যা দিয়ে ডেটাবেইস থেকে যেকোনো তথ্য যাচাই করা যায়। ফলে পুরোনো কার্ড ব্যবহারকারীদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































