ছবি : আপন দেশ
হাজিদের কোনো কষ্ট, অবহেলা বা জুলুম সহ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। এ জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।
কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন বলেন, সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনার সব হজযাত্রীই সরকারের দায়িত্বের আওতায়। হাজিদের সেবায় ধর্ম মন্ত্রণালয় সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে কোনো হাজিকে ভোগান্তিতে পড়তে না হয়।
তিনি বলেন, কোনো কাজে ভুলত্রুটি হলে একে অপরের দোষ খোঁজার পরিবর্তে দ্রুত সমস্যা সমাধানের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার পাশাপাশি সৌদি আরবের বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
আরও পড়ুন <<>> গুলশানে আ.লীগের মিছিল: সরানো হলো ডিসিকে
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ধর্মমন্ত্রী বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত বা কাজের জন্য কেউ এলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করতে হবে। কাউকে অযথা ঘোরানো বা হয়রানি করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
২০২৭ সালের নিবন্ধিত হজ কোটার সিংহভাগ বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে পরিচালিত হবে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, হজ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি আমানত। সবাইকে নিজেদের খাদেম বা সেবক মনে করে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সভায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার জানান, সৌদি সরকারের প্রাথমিক নির্ধারণ অনুযায়ী ২০২৭ সালে বাংলাদেশের হজ কোটা ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এ কোটা থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনার জন্য নির্ধারিত অংশ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট কোটা বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হবে।
সভায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































