ছবি: আপন দেশ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স (এ্যাব)-এর নেতৃবৃন্দ।
রোববার (২১ জুন) এ্যাব এর সদস্য সচিব প্রকৌশলী শোয়েব বাশরি হাবলুর নেতৃত্বে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন তারা।
সাক্ষাৎকালে দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, প্রকৌশলী সমাজের পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণ, প্রকৌশল খাতের উন্নয়ন, ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর কার্যক্রমে জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারার প্রকৌশলীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, তরুণ প্রকৌশলীদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং দেশের উন্নয়ন ও রাষ্ট্রগঠনে প্রকৌশলীদের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।
প্রকৌশলীদের প্রশংসা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশ গঠন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জাতীয় অগ্রযাত্রায় প্রকৌশলীদের অবদান প্রশংসনীয়। দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সুশাসন এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পেশাজীবী সমাজকে আরও সক্রিয় ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের আহবান জানান তিনি।
প্রকৌশলীদের দক্ষতা, সততা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে জাতীয় উন্নয়নে আরও কার্যকর অবদান রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এ্যাবের সদস্য সচিব প্রকৌশলী শোয়েব বাশরি হাবলু সংগঠনের চলমান সাংগঠনিক কার্যক্রম তুলে ধরেন। পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ্যাবের সম্ভাব্য ভূমিকা সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তিনি সারা দেশের বিভিন্ন সংসদীয় আসনে এ্যাবের প্রকৌশলীদের সাংগঠনিক ও পেশাজীবী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার বিষয়টি তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন<<>>মালয়েশিয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
তিনি আরও জানান, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ১২টি খাত নিয়ে এ্যাব ইতোমধ্যে পৃথক কমিটি গঠন করেছে। এসব কমিটিতে সংশ্লিষ্ট খাতের অভিজ্ঞ প্রকৌশলী, বিশেষজ্ঞ ও পেশাজীবীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কমিটিগুলো ইতোমধ্যে নিজ নিজ খাতভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলেও জানান তিনি।
এ্যাব নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে দেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি, এলজিইডি, পানি সম্পদ, অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি খাতে দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও জাতীয় স্বার্থে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা জাতীয় উন্নয়ন, সুশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে। এজন্য যোগ্য, মেধাবী, অভিজ্ঞ ও দেশপ্রেমিক প্রকৌশলীদের বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, দফতর ও প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ ও পদায়নের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন পর্যায়ে পেশাদার প্রকৌশলীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তাদের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় উন্নয়নের কাজে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও তুলে ধরেন।
সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র, সুশাসন এবং প্রকৌশলী সমাজের কল্যাণে ভবিষ্যতেও পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































