Apan Desh | আপন দেশ

ঢাবিতে তারেক রহমানের ক্লাসমেট ছিলেন ১২২ জন

প্রকাশিত: ২১:৪৯, ১৪ মে ২০২৬

ঢাবিতে তারেক রহমানের ক্লাসমেট ছিলেন ১২২ জন

তারেক রহমান, আপন দেশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পর উৎসুক শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের স্লোগান ছিল ‘ক্যাম্পাসের বড় ভাই, ক্যাম্পাসে স্বাগতম’। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানা মহলের কৌতূহল জাগে। তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কখন কোন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে তিনি আইন বিভাগে দুই মাস ক্লাস করার পর বিভাগ পরিবর্তন করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হন বলেও জানা যায়।

জানা যায়, দুই বিভাগে পড়ার সময় তারেক রহমানের সহপাঠী (ক্লাসমেট) ছিলেন ১২২ জন। এর মধ্যে আইন বিভাগে ৭৭ জন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ছিলেন ৪৫ জন। তবে ঢাবির নিয়ম অনুযায়ী শুধুমাত্র যারা অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে সনদ দিয়ে বের হন, তাদের তালিকা সংরক্ষিত থাকে। ঢাবির রেজিস্ট্রার ভবনের পুরাতন শিক্ষার্থীদের তথ্যে দেখা যায়, তারেক রহমান স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম বা এসএম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। নিন্মে তার সহপাঠীদের (ক্লাসমেট) তালিকা দেয়া হলো:

আইন বিভাগের সহপাঠী ৭৭ জন:

১. শিরীন শারমিন চৌধুরী

২. ফারাহ মাহবুব

৩. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

৪. তাহমিনা আহমেদ

৫. মালেকা বাহার শামসী

৬. আজিজ আহমদ

৭. শামিমা আওশর রহমান

৮. মুবিনা আসাফ

৯. ফাহমিদা মারিয়াম

১০. জাহান আরা রহমান

১১. সানাইয়া ফাহীম আনসারী

১২. এহসানুল হাবীব

১৩. মুফাসসিল মুহাম্মদ মাজহার

১৪. আহমেদ ফয়সাল

১৫. শেখ আবু তাহের

১৬. মাহবুবা নাসরীন

১৭. পল্ট‍ু কুমার সিকদার

১৮. স্মৃতি কর্মকার

১৯. মো. শফিকুর রহমান

২০. মো. ইমাম হোসেন

২১. সাবেরা সোবহান

২২. সুফিয়া খাতুন

২৩. আব্দুন নাসের খান

২৪. মো. রফিকুল ইসলাম

২৫. জামিলা খাতুন

২৬. মো. মাহবুব-উল-আলম

২৭. মো. হেলাল উদ্দিন

২৮. কনিকা নারী সরকার

২৯. সুলতানা লিজা

৩০. সানিয়া সুলতানা

৩১. নাসরীন ফেরদৌস

৩২. অপূর্ব কুমার কর

৩৩. জাকিয়া পারভিন

৩৪. জওহর লাল দাশ

৩৫. মাহফুজা আহমেদ

৩৬. শফিকুল কবীর খান

৩৭. নারায়ন চন্দ্র মন্ডল

৩৮. সৌরেন্দ্র নাথ মন্ডল

৩৯. মো. মফিজুর রহমান ভূঞা

৪০. সায়কা তুহীন

৪১. ভীষ্মদেব চক্রবর্ত্তী

৪২. গোলক চন্দ্র বিশ্বাস

৪৩. পারভীন আফরোজ

৪৪. মনজুর মোরশেদ

৪৫. নরেশ চন্দ্র সরকার

৪৬. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ

৪৭. লিয়াকত আলী মোল্লা

৪৮. শেখ মফিজুর রহমান

৪৯. আ ন ম আনিসুর রহমান পাটোয়ারী

৫০. মো. ইকবাল কবির

৫১. মো. কায়সার আহমেদ

৫২. ফারিহা হুদা

৫৩. মো. জাহাঙ্গীর আলম

৫৪. মো. রেজা আলী

৫৫. আবু বকর সিদ্দিক

৫৬. গগাঙ্ক শেখর সরকার

৫৭. আসমা জাহান

৫৮. নাহিদা সুলতানা

৫৯. মো. হাবিবুল্লাহ শিকদার

৬০. সাহানা কাদের চৌধুরী

৬১. শাহনাজ বেগম

৬২. মো. আব্দুস সামাদ আজাদ

৬৩. সুফিয়া খাতুন

৬৪. মো. হুমায়ুন কবির

৬৫. মো. জাকির হোসেন

৬৬. মো. আব্দুল মান্নান

৬৭. মো. হুমায়ুন কবির

৬৮. মো. দেলোয়ার হোসেন

৬৯. মো. আাবু সাঈদ

৭০. মো. তৈয়ব আনোয়ার

৭১. নাজির আহম্মেদ

৭২. কাজী মিজানুর রহমান

৭৩. এ,টি,এম, এমরুল আহমেদ

৭৪. মো. ওসমান গনি ভূঁঞা

৭৫. মো. আজমীর ফকির

৭৬. মো. নুরুল ইসলাম

৭৭. মো. মোস্তাফিজুর রহমান

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪২ জন:

১. মো. এনায়েত মাওলা

২. মুহা. রুহুল আমীন

৩. মো. জসীম উদ্দিন

৪. সৈয়দ মাহমুদ আক্তার

৫. দেলোয়ার হুসেন

৬. স্বপ্না জুলিয়েট কেরোলীনা

৭. মো. ফুয়াদ রেজা

৮. পলিন মেরী কুইয়া

৯. ফজলে ইলাহি মাহমুদ

১০. মো. রুহুল আমিন

১১. তাহসীন মাহবুব

১২. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী

১৩. শাহীন আক্তার

১৪. ফারহানা আমীন

১৫. শারমিন নছিমা বানু

১৬. এস.এম. মাহমুদ হাসান

১৭. স্নিগ্ধা চক্রবর্ত্তী

১৮. ফৌজিয়া আহমেদ

১৯. জি. এম. আবুল কালাম

২০. কানিজ সাইয়েদা হায়দার

২১. বি.এম. বেনজীর আহমেদ

২২. গোলাম ফারুক

২৩. মো. সামছুদ্দোহা

২৪. কাজী জাহিদ হোসেন

২৫. ফারহানা জাহান

২৬. রহিমা হক

২৭. জিনাত আরা চৌধুরী

২৮. মো. বদিউজ্জামান

২৯. গোলাম মোহাম্মদ

৩০. মো. এবাদুর রহমান

৩১. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন

৩২. ফারহানা

৩৩. মো. আলমগীর হোসেন

৩৪. আফরোজা আক্তার

৩৫. সাহিদা শিকদার

৩৬. মো. মাজহারুল হক

৩৭. শায়লা পারভীন

৩৮. উম্মে সালমা

৩৯. রাহী রহমান

৪০. আসমা ভূঁইয়া

৪১. দিলরোজ বেগম

৪২. মো. রেফাতুল ইসলাম

৪৩. এলিজাবেথ ডি. কস্তা

৪৪. মো. বদরুল ইসলাম

৪৫. মো. শামসুদ্দীন হোসেন

আইন বিভাগে তারেক রহমানের সিনিয়র ছিলেন অধ্যাপক আসিফ নজরুল। বুধবার (১৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অতি পরিচিত মানুষ রয়েছেন। তারা হলেন, সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। তখন রাষ্টক্ষমতায় ছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এরশাদ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল। সম্ভবত নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়