ছবি : সংগৃহীত
পশ্চিম এশিয়া ও এর বাইরে, অর্থাৎ মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার ‘প্রধান উৎস’ হিসেবে ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন মক্কা জোটের তিন সদস্য দেশ সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান।
আরব নিউজ জানিয়েছে, ইস্তাম্বুলে আলোচনা শেষে এ তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেছেন, ইসরায়েলের নীতিগুলো বিশ্বজুড়ে অবিচারের অনুভূতিকে আরও গভীর করেছে।
তারা ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের সংঘাতের সমাধান হিসেবে জরুরিভিত্তিতে একটি দ্বি-রাষ্ট্রীক সমাধান বাস্তবায়ন এবং ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার আহবান জানিয়েছে।
তারা অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ করার, বসতি স্থাপনকারীদের হামলা অবিলম্বে অবসান ঘটানোর এবং গাজায় নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পাশাপাশি ওই অঞ্চলে পুনর্নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।
এ মন্ত্রীরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটানো রোধ করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নবায়িত করার আহবান জানিয়েছেন। এ সংকট ‘কেবলমাত্র সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে’ সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন তারা।
আরও পড়ুন<<>>পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু
জোট জুন মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ এর প্রতি সমর্থন পুনব্র্যক্ত করেছেন। উভয়পক্ষকে একটি টেকসই ও আলোচনার মাধ্যমে অর্জিত সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন।
এমন এক সময়ে তারা এ আহবান জানালেন যখন ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবের ওপর হামলা জোরদার করেছে।
পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ০৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, জ্বালানি অবকাঠামো ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার ওপর সম্ভাব্য হামলার জন্য মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী পরিকল্পনা তৈরি করেছে। এমন খবরের প্রেক্ষাপটে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের নতুন আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
চার দেশের মন্ত্রীরা সৌদি আরব ও ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে হুতি মিলিশিয়াদের ‘অগ্রহণযোগ্য উস্কানি’ এবং ইয়েমেন ও সৌদি আরবের বেসামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর চালানো হামলার নিন্দা জানিয়েছে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































