Apan Desh | আপন দেশ

‘ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী’

আন্তজাতিক ডেস্ক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১০:০৮, ২৭ মার্চ ২০২৬

আপডেট: ১২:২৫, ২৭ মার্চ ২০২৬

‘ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী’

বহুমুখী যুদ্ধের চাপে ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস বা আইডিএফ ভেঙে পড়ার কাছাকাছি চলে এসেছে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির সামরিক নেতৃত্ব ও বিরোধী দলের রাজনীতিবিদরা। সৈন্য সংকট ও স্পষ্ট কৌশলের অভাবকে তারা এর কারণ হিসেবে দেখাচ্ছেন।

বিরোধী নেতা ইয়ার লাপিদ টেলিভিশনে বলেছেন, আইডিএফকে ব্যবহার সীমা ছাড়িয়ে গেছে। সরকার আহত সেনাদের যুদ্ধক্ষেত্রে ফেলে রাখছে। এক দিন আগে সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির নিরাপত্তা ক্যাবিনেটেও একই সতর্কতা দিয়েছেন বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যমে খবর এসেছে।

লাপিদ বলেছেন, সরকার কোনো কৌশল ছাড়া, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ছাড়া এবং অপ্রতুল সংখ্যক সেনা নিয়ে সেনাবাহিনীকে বহুমুখী যুদ্ধে পাঠাচ্ছে। গণমাধ্যমে জামিরের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, তিনি নিরাপত্তা মন্ত্রিসভাকে বলেছেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) টেলিভিশনে এক বিবৃতিতে সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি দেফ্রিন বললেন, বিভিন্ন সীমান্তে আরও যুদ্ধ সৈনিক প্রয়োজন। বিশেষ করে লেবানন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লেবানন সীমান্তে আমরা যে সামনের প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করছি তাতে অতিরিক্ত আইডিএফ বাহিনী লাগবে। পশ্চিম তীর, গাজা ও সিরিয়াতেও চাহিদা বেড়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন<<>>ইরানের বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলা স্থগিত ঘোষণা ট্রাম্পের

লাপিদ জানিয়েছেন, জামির মন্ত্রিসভাকে বলেছেন সংরক্ষিত সৈনিকরা পঞ্চম ও ষষ্ঠ দফা রোটেশনে কাজ করছেন। লাপিদ বললেন, এ সংরক্ষিত সেনারা ক্লান্ত ও বিপর্যস্ত এবং আর আমাদের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মেটাতে পারছেন না। সেনাবাহিনীর কাছে তার মিশন পূরণের জন্য যথেষ্ট সৈনিক নেই।

লাপিদ আল্ট্রা-অর্থোডক্স হারেদি সম্প্রদায়কে সেনাবাহিনীতে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতি পেয়ে আসছেন।

লাপিদ বলেন, সরকারকে কাপুরুষতা বন্ধ করতে হবে। হারেদি সম্প্রদায়ে যারা ড্রাফট ফাঁকি দেবে, তাদের সব অর্থায়ন অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, সেনা পুলিশ পাঠিয়ে পলায়নকারীদের ধরতে হবে এবং দ্বিধা ছাড়াই হারেদিদের সেনায় নিতে হবে।

উল্লেখ্য, ইসরায়েলে সামরিক সেবা বাধ্যতামূলক। তবে প্রতিষ্ঠার সময় স্থাপিত একটি নিয়ম অনুযায়ী, যারা পূর্ণকালীন ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠে নিবেদিত তাদের কার্যত ছাড় দেয়া হয়। সে সময় হারেদি সম্প্রদায় খুব ছোট ছিল।

আপন দেশ/জেডআই

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়