ছবি : সংগৃহীত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির খোঁজ পাওয়ার পরই হামলা চালানো হয়। তাকে লক্ষ্য করে যুদ্ধবিমান থেকে ৩০টি বোমা নিক্ষেপ করে ইসরায়েল।
সোমবার (০২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
সংবাদমাধ্যমটির তথ্যমতে, ইসরায়েল এবং মার্কিন গোয়েন্দারা জানতেন যে, সে ঠিকানায় রাজনৈতিক নেতা এবং সামরিক কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন খামেনি। দীর্ঘদিন ধরে সে সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন দুই দেশের গোয়েন্দারা। অবশেষে সেই সুযোগ আসে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি)। আর তারপরই খামেনির দপ্তর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
প্রতিবেদনের দাবি, ইসরায়েলি গোয়েন্দারা জানতে পেরেছিলেন, শনিবার তিনটি স্থানে সেনা কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন খামেনি। সেই তিনটি স্থানকে আগে চিহ্নিত করা হয়েছিল।
এর মধ্যে কোনটিতে খামেনি রয়েছেন, সেটাও খুব নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করা হয়। তারপরই হামলা চালানো হয়।
মার্কিন প্রশাসনের এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ওয়াশিংটনের কাছে খবর ছিল আমেরিকার বেশ কিছু ঠিকানায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে ইরান। হামলা চালানোর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্দেশ দিতে পারেন।
এ আশঙ্কা করে আগেই পাল্টা হামলার পরিকল্পনা করে খামেনির প্রশাসন। কিন্তু গোয়েন্দা সূত্রে সেই খবর আসতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানে হামলার নির্দেশ দেন। তারপরই শনিবার তেহরানে একযোগে হামলা চালায় ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র।
খামেনির প্রশাসনের বেশ কয়েকটি দপ্তর গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়, ধ্বংস করা হয় ইরানের বেশ কয়েকটি সেনাঘাঁটিও।
আরও পড়ুন : শাহ আমানতে ২৫ ফ্লাইট বাতিল
তারপরই জানা যায়, এই হামলায় নিহত হয়েছেন খামেনি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসেরজাদা, কমান্ডার ইন চিফ মোহাম্মদ পাকপোর, খামেনির মেয়ের জামাতা এবং নাতনি।
আপন দেশ/এনএম
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































