ছবি : সংগৃহীত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। করাচিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে বিক্ষোভকারীদের হামলার ঘটনায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এলাকাটি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাকিস্তানি পুলিশের চালানো গুলিতে অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় খামেনির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে করাচিতে শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। তারা আমেরিকার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দিতে মার্কিন দূতাবাসের দিকে অগ্রসর হন। এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যান।
বিক্ষুব্ধ জনতা লাঠিসোটা নিয়ে মার্কিন দূতাবাসে হামলার চেষ্টা করে। তারা ভবনের জানালার কাচ ভাঙচুর করে ও দেয়ালে আগুন ধরিয়ে দেয়ার চেষ্টা চালায়। নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।
এ ঘটনায় সিন্ধুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান করাচির অতিরিক্ত আইজির কাছে ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন তলব করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না। তিনি প্রদেশজুড়ে সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা আরও জোরদার করার নির্দেশও দিয়েছেন।
এদিকে পুলিশ সার্জন ড. সুমাইয়া সাইদ ডন প্রথমে ছয়টি মৃতদেহ সিভিল হসপিটাল করাচিতে নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। পরে পাকিস্তান ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে মৃতের সংখ্যা ৮ জানানো হয়। হতাহতদের কয়েকজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল ইধি।
আপন দেশ/এমবি
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































