Apan Desh | আপন দেশ

রামেক হাসপাতালে ৭ দালালের কারাদণ্ড

রাজশাহী প্রতিনিধি, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৯:৪৪, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৯:৪৭, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রামেক হাসপাতালে ৭ দালালের কারাদণ্ড

ছবি: আপন দেশ

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের বহির্বিভাগ থেকে রোগী ভাগিয়ে নিয়ে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠায়। এমন অভিযোগে সাতজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হাসপাতালের বহির্বিভাগে দালালবিরোধী অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিত সরকার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের সাজা দেন।

সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে চারজন পুরুষ ও তিনজন নারী। তারা হলেন সুজন পলান, মো. সানি, বাবু দাশ, আহমদ আলী, মোছা. সিমা, তৌহিদা তানজিম ও মোছা. রিনা খাতুন।

অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, রামেক হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি দালালচক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ রয়েছে। রোগী ও স্বজনদের অসহায়ত্বকে কাজে লাগিয়ে চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসা, অ্যাম্বুলেন্স ও দ্রুত সেবা পাইয়ে দেয়ার কথা বলে তাদের প্রভাবিত করেন। পরে কৌশলে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা করানো কিংবা চিকিৎসা নেয়ার জন্য চাপ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এসআরবি-৫-এর সদস্যরা বুধবার দুপুরে বহির্বিভাগ এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি চালান। এ সময় রোগী ও স্বজনদের অন্যত্র নেয়ার চেষ্টা এবং দালালি কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। 

আরও পড়ুন<<>>এতিম শিশুদের ৩ মাসের খাদ্য সহায়তা প্রদান

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিত সরকার বলেন, রামেক হাসপাতাল উত্তরাঞ্চলসহ দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি জেলার মানুষের চিকিৎসার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। প্রতিদিন আশপাশের প্রায় ৮ থেকে ১০টি জেলা থেকে রোগীরা এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। তাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে একটি শ্রেণি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে অর্থ আদায় করছে। 

আটক হওয়া দালাল চক্রের সদস্য

তিনি বলেন, অনেক রোগী চিকিৎসার জন্য যে টাকা নিয়ে আসেন, দালালদের খপ্পরে পড়ে সেই টাকাও হারিয়ে ফেলছেন। পরে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। হাসপাতালের নির্দেশনা অমান্য করে দালালি কার্যক্রম চালানোর অভিযোগে সাতজনকে সাজা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দালালবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রাজশাহী এসআরবি-৫-এর উপ-অধিনায়ক মেজর মঞ্জুরুল কবির পিয়াল বলেন, হাসপাতাল এলাকায় রোগী ও তাদের স্বজনদের হয়রানি, প্রতারণা এবং অনৈতিকভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে পাওয়া যাচ্ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়