ছবি: আপন দেশ
রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে।
বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) লংগদু উপজেলা শাখার উদ্যাগে এ দিবস পালন করা হয়।
দিনের শুরুতে শোক র্যালি করা হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান সড়ক ঘুরে আসে। এরপর নিহতদের গণকবরের সামনে দোয়া, মুনাজাত ও শোকসভা হয়।
শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ পিসিসিপি লংগদু উপজেলার সহ-সভাপতি মো. মামুনুল ইসলাম। সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মো. মনির হোসেন। এতে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনটির প্রচার সম্পাদক জাহিদ বিন খালিল, লংগদু সদর ইউনিয়নের সভাপতি মো. নাসির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম হৃদয়, সহ-সভাপতি নাজমুল ইসলাম মাইনী মুখ ইউনিয়ন সভাপতি মো. শরিফুল ইসলামসহ উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ভুক্তভোগী পরিবার সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন<<>>বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে আটক
এসময়ে পিসিসিপি নেতৃবৃন্দ বলেন, পাবর্ত্য চট্টগ্রামের সন্ত্রাসী সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএ) সশস্ত্র শাখা শান্তিবাহিনীর হাতে অসংখ্য বর্বরোচিত, নারকীয় ও পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে পাবর্ত্য অঞ্চলের বাঙালিরা। অসংখ্য ঘটনার মধ্যে পাকুয়াখালী ট্রাজেডি অন্যতম। ১৯৯৬ সালের ০৯ সেপ্টেম্বর সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পিসিজেএসএস-এর সশস্ত্র শাখা শান্তিবাহিনী কর্তৃক রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার পাকুয়াখালীতে নিরীহ ৩৫ বাঙালি কাঠুরিয়াদের নৃশংস ভাবে হত্যা করেছিল।
বক্তারা আরও বলেন, মানবাধিকার এবং ন্যায়ের ভিত্তিতে পাবর্ত্যাঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যই পাকুয়াখালী গণহত্যাসহ পাহাড়ে সকল বাঙালি গণহত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা প্রয়োজন। অন্যথায় পাবর্ত্যাঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার আশা কোনোদিনই সফল হবে না। পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ও সম্প্রীতি রক্ষায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন জেএসএস ও ইউপিডিএফকে নিষিদ্ধ করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে গণহত্যার দায়ে খুনি সন্তু লারমা ও প্রসীত খীসাসহ তাদের সংগঠনের সকল সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূল শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































