ছবি: আপন দেশ
পঞ্চগড় সদর উপজেলার ঐতিহাসিক মহারাজার দিঘি থেকে আবদুল মালেক (১৭) নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে দিঘিতে মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত আবদুল মালেক পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের মাগুরা এলাকার মালাদাম গ্রামের রইসউদ্দিনের ছেলে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে দিঘির পাড়ে স্থানীয়রা একটি মরদেহ ভাসতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন<<>>রাঙামাটি সদর হাসপাতালে কলপোস্কোপি অপারেশন চালু
মরদেহ উদ্ধারের সময় নিহতের সঙ্গে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধারকৃত ওই চিরকুটে কিশোরের মৃত্যুর জন্য কয়েকজনকে দায়ী করার তথ্য উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া চিরকুটে পঞ্চগড় সদরের মালাদাম বাজারের কিছু প্রসঙ্গেরও উল্লেখ পাওয়া গেছে। চিরকুটটি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে এবং এটি মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আশরাফুল ইসলাম জানান, নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি মাগুরা এলাকার মালাদাম গ্রামের বাসিন্দা। ওসির দাবি, মরদেহের সঙ্গে পাওয়া চিরকুটটি জব্দ করা হয়েছে। এতে উল্লেখিত নাম ও বিষয়গুলোর সত্যতা যাচাইসহ ঘটনার সব দিক গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এটি হত্যা না কি আত্মহত্যা, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ঐতিহাসিক মহারাজার দিঘি থেকে মরদেহ উদ্ধারের এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবার এ মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































