Apan Desh | আপন দেশ

কেন্দ্র দখলের প্র্যাকটিস ম্যাচ শুরু হয়ে গেছে: হাসনাত

কুমিল্লা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২২:০৩, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

কেন্দ্র দখলের প্র্যাকটিস ম্যাচ শুরু হয়ে গেছে: হাসনাত

ফাইল ছবি

নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রমে হামলার মাধ্যমে কেন্দ্র দখলের প্র্যাকটিস শুরু হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) ও কুমিল্লা-৪ আসনে প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ঢাকা-১৮ আসনের এনসিপি প্রার্থী আদীবের ওপর হামলা এবং ২৪ পরবর্তী সময়ে নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রমে দলীয় পরিচয়ে বিএনপির নামে যেভাবে হামলার ঘটনা ঘটছে, তা পুরো নির্বাচনী পরিবেশের জন্য একটি নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা দমন-পীড়ন ও কেন্দ্র দখলের বার্তাই বহন করে। 

আরও পড়ুন<<>>একটি গোষ্ঠী নির্বাচনকে বাধাগ্রস্তের ষড়যন্ত্র করছে: তারেক রহমান

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচনকে ঘিরে যেন একটি প্র্যাকটিস ম্যাচ শুরু হয়ে গেছে। বিভিন্ন সময় দেখা গেছে, কেন্দ্র দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রতিপক্ষকে দমন করার প্রবণতা তৈরি করা হয়।

এনসিপির এ নেতা বলেন, আমরা বিভিন্ন সময় শুনেছি, যদি প্রতীকে ধানের শীষ না থাকে বা নির্দিষ্ট কোনো প্রতীক না থাকে, তাহলে প্রয়োজনে বাড়ি থেকে তুলে এনে ওই প্রতীকে ভোট দেওয়ানো হবে— এ ধরনের বক্তব্য আগেও শোনা গেছে।

নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রতিপক্ষের প্রচার কার্যক্রমে হামলা, ভয় দেখানো এবং আক্রমণাত্মক আচরণ একটি উদ্বেগজনক রাজনৈতিক সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ, বলেন তিনি।

হাসনাত আরও বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীরা ভোট চাইতে গেলে তাদের পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেয়ার মতো বক্তব্যও বিভিন্ন সময়ে শোনা গেছে। এ ধরনের পরিস্থিতি নির্বাচনের দিন পর্যন্ত একটি অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে বড় ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ।

এনসিপির নির্বাচন ও প্রশাসন সমন্বয় উপ-কমিটির সেক্রেটারি আয়মান রাহা বলেন, দেশব্যাপী নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রবণতা স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।

রাত ৮টার পর মাইক ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকলেও রাত ৩টা–৪টা পর্যন্ত বড় সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে একাধিক স্থানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এতে দেশব্যাপী একটি বার্তা ছড়িয়ে পড়ছে যে, নির্বাচনী আচরণবিধি মানার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

তিনি বলেন, ঢাকা–৮ আসনে সরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘটনা নির্বাচন বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একইভাবে ঢাকা–১৭ আসনে পোস্টার নিষিদ্ধ থাকার পরও বিভিন্ন স্থানে পোস্টার টানানোর ঘটনাও নজরে এসেছে।

আয়মান রাহা বলেন, অতীতে বিতর্কিত নির্বাচনে যেসব কর্মকর্তা বিতর্কিত ভূমিকা পালন করেছেন, তাদের অনেককেই এবার প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা তৈরি করছে।

আপন দেশ/এসআর
 

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়

শীর্ষ সংবাদ:

একীভূতকরণ হচ্ছে বিডা-বেজা-বেপজাসহ ৬ প্রতিষ্ঠান জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি হ্যাঁ মানে আজাদী, না মানে গোলামী: জামায়াত আমীর চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে মার্কিন প্রতিনিধিদল আ.লীগ কখনোই বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনি: সালাহউদ্দিন আহমেদ ডাকসু থেকে সর্বমিত্র চাকমার পদত্যাগ সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে ৩ জনের মৃত্যু ফিলিপাইনে ফেরি ডুবে নিহত ১৫, বহু নিখোঁজ বিসিবি নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়েছে: আমিনুল ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি পাকিস্তানে সতর্কতা জারি বাবার জন্মদিনে মির্জা ফখরুলকন্যার আবেগঘন পোস্ট