ছবি: আপন দেশ
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ব্যবসায় (B1) ও পর্যটন (B2) ভিসায় জামানত বা বন্ড নেয়ার নতুন পদক্ষেপ কার্যকর করবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
দূতাবাস সতর্ক করে বলেছে, সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড বা বন্ড পরিশোধ করলে তা ভিসার নিশ্চয়তা দেয় না। তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট প্রতারণামূলক হতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভিসা শর্ত মেনে চললে জমা দেয়া অর্থ ফেরতযোগ্য হবে।
বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড নেয়া হবে। এটি ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করা হবে। আগে ইস্যু করা বৈধ ভিসার ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযোজ্য হবে না।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। জমা দেয়া অর্থ ভিসা প্রত্যাখ্যান হলে বা শর্ত মেনে চললে ফেরত দেয়া হবে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশি নাগরিকদের এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া দুঃখজনক। কিন্তু অস্বাভাবিক নয়। যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত সমস্যার কারণে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ ৭৫ দেশের জন্য অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে।
আরও পড়ুন <<>> নোবেল পদকের বিনিময়ে কি পেলেন মাচাদো
মার্কিন কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন (CBP) অনুযায়ী, ২০২৪ অর্থবছরে ব্যবসায় ও পর্যটন ভিসায় যাওয়া ৩৮,৫৯০ বাংলাদেশির মধ্যে ২,২১৩ জন ভিসার মেয়াদ শেষের পরও অবস্থান করেছেন। এটি মোটের ৫.৭৩ শতাংশ।
মেয়াদ শেষের পর যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেননি ২,১৬২ জন। বাংলাদেশের ভিসা মেয়াদের অতিরিক্ত অবস্থান জাতীয় গড়ের তুলনায় অনেক বেশি। ২০২৪ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে মেয়াদ শেষের পরও দেশ ত্যাগ না করা মানুষের জাতীয় গড় ছিল ২.২২ শতাংশ।
২০২৩ অর্থবছরে ২৯,০৪১ বাংলাদেশির মধ্যে ১,৯৯৩ জন ভিসার মেয়াদ শেষের পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেছিলেন।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































