Apan Desh | আপন দেশ

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৪:১১, ১২ মার্চ ২০২৬

আপডেট: ১৪:১২, ১২ মার্চ ২০২৬

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল

ছবি : আপন দেশ

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো পালন নিয়ে নতুন পরিপত্র জারি করেছে সরকার। নতুন পরিপত্রে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।

এদিকে, ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন করা হবে। ২০২৪ সালের গণ-আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে ছাত্র আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিন ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালন করা হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। নতুন সরকারের সময়েও তা বহাল রেখেছ।

বুধবার (১১ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ পরিপত্র জারি করা হয়। এর আগের পরিপত্রটি ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর জারি করা হয়েছিল।

কবে কোন দিবস কীভাবে পালন করতে হবে সে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে পরিপত্রে।

নতুন পরিপত্রেও আগের মতোই দিবসগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ক-শ্রেণিতে থাকা জাতীয় পর্যায়ের ১৭টি দিবস/উৎসবকে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন বা পালন করা হবে।

২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস/আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ১ মার্চ জাতীয় বীমা দিবস, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, পয়লা মে ‘মে দিবস’।

এ ছাড়া মে মাসে বৌদ্ধ পূর্ণিমা, ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস, ১৭ অক্টোবর লালন সাঁই-তিরোধান দিবস, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন, ১ বৈশাখ বাংলা নববর্ষ, ২৫ বৈশাখ রবীন্দ্র জয়ন্তী, ১১ জ্যৈষ্ঠ নজরুল জয়ন্তী। ১ শাওয়াল ঈদুল ফিতর, ১০ জিলহজ ঈদুল আজহা, ১২ রবিউল আউয়াল আওয়াল ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) ও দুর্গাপূজা (পঞ্জিকা অনুযায়ী)।

ক শ্রেণির এসব দিবস/উৎসবসমূহ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন/পালন করা হবে। 

অন্তর্বর্তী সরকার ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট শেখ হাসিনার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, ১৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল দিবস, ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস ও ১২ ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস বাতিল করেছিল। বিএনপি সরকারও সেই সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে।

যেসব দিবস ঐতিহ্যগতভাবে পালন করা হয়ে থাকে অথবা বর্তমান সময়ে দেশের পরিবেশ সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও সামাজিকভাবে উদ্বুদ্ধকরণের জন্য বিশেষ সহায়ক, সেসব দিবস খ শ্রেণিতে পালন করা যেতে পারে বলে পরিপত্রে উল্লেখ আছে। 

'খ' শ্রেণির এসব দিবসের অনুষ্ঠানে মন্ত্রীরা সম্পৃক্ত থাকবেন, গুরুত্ব বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। এ পর্যায়ের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সরকারি উৎস থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা যেতে পারে।

খ শ্রেণিতে ৩৭টি দিবস রাখা হয়েছে। এ শ্রেণিতে ২০২৪ সালের গণ-আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে ছাত্র আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিন ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালন করা হবে।

আবার গ শ্রেণিতে রাখা হয়েছে ৩৫টি দিবস। এসব দিবস পালনের ক্ষেত্রে পরিপত্রে বলা হয়, বিশেষ বিশেষ খাতের প্রতীকী দিবসসমূহ সীমিত কলেবরে পালন করা হবে। মন্ত্রিরা এসব দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিতির বিষয় বিবেচনা করবেন। উন্নয়ন খাত হতে এসব দিবস পালনের জন্য কোনো বিশেষ বরাদ্দ দেয়া হবে না। 

আপন দেশ/এনএম

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়